চাঁদপুর, সোমবার ২৮ অক্টোবর ২০১৯, ১২ কার্তিক ১৪২৬, ২৮ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্‌কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৭। 'হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত!


২৮। 'আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।


২৯। 'আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।'


 


 


assets/data_files/web

শ্রেষ্ঠ বইগুলি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।


-লর্ড চেস্টারফিল্ড।


 


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কফির প্রভাবে পানিশূন্যতা
২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


অতিরিক্ত কফি পানের কারণে বাড়তে পারে মূত্রত্যাগের পরিমাণ। তবে এই কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা নাও দিতে পারে।



পুরো পৃথিবী জুড়ে কফিই সম্ভবত পানীয় হিসেবে সবচাইতে বেশি পান করা হয়। নতুন একটি দিনের সূচনায় এক কাপ গরম কফি অতুলনীয়। শরীরের আলসেমি কাটায়, মন প্রফুল্ল করে, বাড়ায় কাজের গতি। তবে বাড়াবাড়ি করলে আছে ক্ষতি।



লোকমুখে কফির নানা কুপ্রভাবের কথা শোনা যায়। যার মধ্যে একটি হল কফি শরীরে পানিশূন্যতা সৃষ্টি করে।



পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হল।



সত্যটা হল কফি পান করার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন'য়ের তথ্য মতে, "কফিতে থাকা 'ক্যাফেইন'য়ে মৃদুমাত্রায় 'ডায়ইউরেটিক' প্রভাব থাকে, যা প্রস্রাবের মাত্রা বাড়াতে পারে।



এই 'ডায়ইউরেটিক' প্রভাব শরীর থেকে সোডিয়াম ও পানি বের করে দিতে বাধ্য করে। বৃক্কের সঙ্গে এই ঘটনার নিবিড় সম্পর্ক আছে। বৃক্ক শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দেয় মূত্রের সঙ্গে। আর সোডিয়াম শরীর থেকে বের হওয়ার পথে রক্ত থেকে পানি টেনে নিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ কারণেই অতিরিক্ত কফি পান করলে মূত্র ত্যাগের মাত্রা বেড়ে যায়।



তবে সবার ক্ষেত্রে এই প্রভাব সমান নয়। কম কফি পান করেও হয়ত মূত্র ত্যাগের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে বেশি কফি পান করেও স্বাভাবিক থাকতে পারে।



কফি পান করলে যেহেতু মূত্র ত্যাগের পরিমাণ বাড়ে তাহলে স্বভাবতই পানিশূন্যতা তৈরি হওয়া উচিত, এমনটাই হয়ত ভাবছেন। তবে ঘটনাটা ভাবতে হবে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে।



কফি পান করার সময়ও পানি গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে প্রস্রাবের মাত্রা বাড়লেও শরীর থেকে বেশি পানি কিন্তু বের হয়ে যাচ্ছে না। যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু শোষণ করার পরই শরীর বাকি পানি বের করে দেয়। ফলে কফির সঙ্গে থাকা পানি পক্ষান্তরে 'ডায়ইউরেটিক' প্রভাবকে প্রশমিত করে দেয়। তবে কফির পানের পাশাপাশি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানিও পান করতে হবে।



তাই মোটা দাগে বলা যায়, কফি পানিশূন্যতা সৃষ্টি করে না। প্রতিদিনের অভ্যাস মতো কফি পান করার পর ঘুম কম, মাথাব্যথা ইত্যাদি দেখা দিলে সমস্যা অন্য কোথাও, কফিতে নয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত কফি পান করলে মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, কাঁপুনি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।



তাই দিনে দুতিন কাপের বেশি কফি পান করা উচিত নয়।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬৭৩০৪
পুরোন সংখ্যা