চাঁদপুর, সোমবার ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৬, ২৩ জমাদউলি আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬১-সূরা সাফ্ফ


১৪ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৩। এবং তিনি দান করিবেন তোমাদের বাঞ্ছিত আরও একটি অনুগ্রহ : আল্লাহর সাহায্য ও আসন্ন বিজয়; মু'মিনদিগকে সুসংবাদ দাও।


 


 


 


 


প্রাচীন মহিলার দেহের গহনা অবশ্যই খাদবিহীন হবে।


-জুভেনাল।


 


 


কৃপণ ব্যক্তি খোদা হতে দূরে লোকসমাজে ঘৃণিত, দোজখের নিকটবর্তী।


 


ফটো গ্যালারি
অতিরিক্ত ঘুম বাড়ায় স্ট্রোকের ঝুঁকি!
২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতিরাতে ৯ ঘণ্টা কিংবা তার চেয়ে বেশি সময় ঘুমান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে



শরীর সুস্থ রাখার জন্যে প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম অবশ্যই জরুরি। কিন্তু এটা যদি ৮ ঘণ্টা পার হয়ে ৯-১০ ঘণ্টা কিংবা এর চেয়েও বেশি হয়ে যায়, তবে সেটাকে অতিরিক্ত ঘুম বলাই উচিত। এ অতিরিক্ত ঘুম শরীর সুস্থ রাখার বদলে বরং শরীরকে আরও নষ্ট করে ফেলে। আমাদের মধ্যে যারা এ অতিরিক্ত ঘুমের শিকার, তারা জানেন এ জন্যে প্রতিদিন কত রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।



ঘুম ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সস্নিপ ফাউন্ডেশনের তথ্যানুসারে জানা যায়, বয়স অনুযায়ী মানুষের ঘুমের সময়টা নির্ভর করে। তবে কারোরই ৫ ঘণ্টার কম বা ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুম হওয়া উচিত নয়।



 



আমরা কেন অতিরিক্ত ঘুমাই?



অতিরিক্ত ঘুমানোকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি রোগ হিসেবে দেখা হয় এবং এর একটি নামও আছে। নামটি হলো "হাইপারসোমনিয়া"। দিনে ঘুমের আদর্শ সময় পার করার পরেও যারা আরও ঘুমাতে চায়, তাদের এই রোগটি আছে বলে ধরা হয়। যাদের এই হাইপারসোমনিয়া আছে, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি লক্ষণ দেখা যায়। যেমন,



১. কোনও কিছু নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকা



২. শরীরে শক্তি কম থাকা



৩. স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা থাকা



এগুলো নিদ্রাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা আমাদের অতিরিক্ত ঘুমাতে বাধ্য করে। এছাড়াও ঘুমের মধ্যে অনেকের শ্বাসকষ্ট হয়, যা অনেক সময় অতিরিক্ত ঘুমানোর চাহিদা তৈরি করে।



তবে সাময়িক অসুস্থতার জন্য কারও ঘুম অনেক বেশি হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে শরীর সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি এই অতিরিক্ত ঘুমানোর চাহিদাও দূর হয়ে যায়। এছাড়া মাদকজাত দ্রব্য সেবন করলে কিংবা হীনমন্যতায় ভুগলেও অতিরিক্ত ঘুমানোর অভ্যাস দেখা যায়।



অতিরিক্ত ঘুমানোর জন্য যেসব শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।



গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতিরাতে ৯ ঘণ্টা কিংবা তার চেয়ে বেশি সময় ঘুমান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে।



আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব নিউরোলজির গবেষণা থেকে জানা যায়, যারা ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমায় তাদের সাধারণের চেয়ে অ্যাজাইনায় (হৃদযন্ত্রে রক্তের প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে যে ব্যথা অনুভূত হয়) আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ থাকে এবং অন্যান্য হৃদরোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা ১০% বেড়ে যায়।



চীনে ৩১ হাজার ৭৫০জন মধ্যবয়স্ক নারীদের নিয়ে ৬ বছর ধরে একটি গবেষণা করা হয়। গবেষণা করার সময় অতিরিক্ত ঘুমের কারণে ১ হাজার ৫৫৭টি স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে।



বিভিন্ন বয়সী মানুষের ঘুমের সময় ভিন্ন ভিন্ন। এজন্য প্রত্যেক মানুষকে তার বয়স অনুযায়ী ঘুমানো উচিত। ৩মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা, চারমাস থেকে ১১ মাস পর্যন্ত শিশুদের ১০ থেকে ১৮ ঘণ্টা, ১ থেকে ২ বছর বয়সী শিশুদের ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা, ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা, ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা, ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা, প্রাপ্তবয়স্ক অর্থাৎ ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা এবং ৬৫ বা তার বেশি বছর বয়সীদের ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৮৭৭২
পুরোন সংখ্যা