চাঁদপুর, সোমবার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২০ মাঘ ১৪২৬, ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৩-সূরা মুনাফিকূন


১১ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪। তুমি যখন উহাদের দিকে তাকাও উহাদের দেহাকৃতি তোমার নিকট প্রীতিকর মনে হয় এবং উহারা যখন কথা বলে, তুমি সাগ্রহে উহাদের কথা শ্রবণ কর যদিও উহারা দেওয়ালে ঠেকান কাঠের স্তম্ভ সদৃশ; উহারা যে কোনো শোরগোলকে মনে করে উহাদেরই বিরুদ্ধে। উহারাই শত্রু, অতএব উহাদের সম্পর্কে সতর্ক হও; আল্লাহ উহাদিগকে ধ্বংস করুন। বিভ্রান্ত হইয়া উহারা কোথায় চলিয়াছে।


 


যে ব্যক্তি হালাল পথে রুজি করে সেই প্রকৃত মুসলমান।


-হযরত আঃ কাদের জিলানী (রঃ)।


 


 


যিনি বিশ্বমানবের কল্যাণ সাধন করেন তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।


ফটো গ্যালারি
শিশুর চক্ষু রোগ ও তার প্রতিকার
হাকিম মোঃ বাকী বিল্লাহ
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শিশুর জন্মের পর চোখের বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। কারণ বিশ্বের প্রতি মিনিটে একজন শিশু অন্ধ হচ্ছে। আমরা সচেতন হলে এ অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে পারি। প্রায় ৯০% অন্ধত্ব চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় ও প্রতিরোধ করা সম্ভব। অন্ধত্ব মানে কষ্টকর জীবন। কারণ পর নির্ভরশীল হয়ে জীবনযাপন করতে হয়। কোনো বাবা-মারই কাম্য নয় যে তার সন্তান অন্ধ হোক। কারণ প্রতিটি সন্তানই বাবা-মার নিকট ভবিষ্যৎ স্বপ্ন, আশা ও সুখ-শান্তি। আর স্বপ্ন পূরণের জন্যে বাবা-মা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়। আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। অবদান রাখে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের। যেনো শিশুটি যদি চিকিৎসাজনিত ক্রটির কারণে অন্ধত্ববরন করে তখন সমস্ত স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়। স্বপ্ন তখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। পরিবার আজীবন এ দুঃখ বয়ে বেড়াতে হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব রাষ্ট্রের উপরও পড়ে। চিকিৎসার মাধ্যমে এ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি। শিশুর চোখের কিছু কিছু সমস্যা আছে যা সাধারণত আমরা বুঝতে পারি না। কিন্তু চিকিৎসার মাধ্যমে তা নির্ণয় করা সম্ভব। তাই প্রতিটি শিশু জন্মের পর চক্ষু চিকিৎসককে দেখাতে হবে। চোখের অনেক সমস্যা আছে যা প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা নিলে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। আর যদি সঠিক সময় চিকিৎসা নিতে ব্যর্থ হয় তবে সারাজীবনের জন্যে অসুস্থ চোখ নিয়ে বেঁচে থাকতে হয় অথবা স্থায়ীভাবে অন্ধত্ববরণ করতে হয়।



 



যে কারণে শিশু অন্ধ হতে পারে :



* চশমাজনিত কারণে দৃষ্টিস্বল্পতা



* ছানিজনিত অন্ধত্ব



* টেরা চোখ



* জন্মগত গ্লোকোমা



* অপরিণত জন্মজনিত চক্ষুরোগ



* রেটিনা ক্লাস্টোমা



* চোখের আঘাত



* চোখ লাল হওয়া



* চোখ দিয়ে পানি পড়া



 



উপরে উল্লেখিত সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাগ্রহণ করতে হবে।



তাহলেই আমরা শিশুদের অকাল অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবো।



অন্ধত্ব প্রতিরোধে করণীয় :



* প্রতিটি শিশুকে জন্ম থেকে ২৮ দিনের মধ্যে চক্ষু পরীক্ষা করানো।



* ৫ বছর বয়স পর্যন্ত নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করানো।



* প্রসবের পর মাকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো



* শিশু জন্মের পরপরই চক্ষু পরিষ্কার করতে হবে। শিশুর চোখের ময়লা বা পুঁজ দেখা মাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।



* শাল দুধ ও ছয়মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।



* সকল শিশুকে হামসহ সব টিকা দিতে হবে।



* হাম, নিউমোনিয়া ডায়রিয়া ও অপুষ্টিরোধে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।



* ৩৫ সপ্তাহের আগে শিশুর জন্ম এবং ২ কেজির কম ওজনের শিশুর জন্ম হলে শিশুকে নির্ণয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।



 



লেখক : হাকীম মোঃ বাকী বিল্লাহ; ডিইউএমএস (ঢাকা), মা ও শিশু রোগে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লেকচারার, চাঁদপুর ইউনানি তিবি্বয়া কলেজ, চাঁদপুর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২২১৫২৩
পুরোন সংখ্যা