চাঁদপুর, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩ মাঘ ১৪২৯, ৪ রজব ১৪৪৪  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সরস্বতী পুজা উদযাপন
  •   চাঁদপুর শহরে বেড়েই চলছে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
  •   চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতিতে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয়
  •   চাঁদপুর সেন্ট্রাল ইনার হুইল ক্লাবের গৌরবের যুগপূর্তি অনুষ্ঠান
  •   হয়রানির আরেক নাম প্রি-পেইড বিদ্যুৎ মিটার

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২২, ১৯:৪৬

ফেইজবুকে তোলপাড়

হাজীগঞ্জ গোল্ডেন হসপিটালের একি কান্ড! 

হাজীগঞ্জ গোল্ডেন হসপিটালের একি কান্ড! 
কামরুজ্জামান টুটুল

হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ সড়কের হক টাওয়ারে চলমান হাজীগঞ্জ গোল্ডেন হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টার এন্ড ডিজিটাল ল্যাবের রোগীসেবা নিয়ে হতবাক রোগীর স্বজনরা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। এ ঘটনায় রোগী তাছলিমা বেগম (৪২) একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী। তাৎক্ষনিক রোগীর স্বজনরা কুমিল্লা নিয়ে গেলে চিকিৎসা রোগী এ যাত্রায় বেঁচে যায়।

রোগীর স্বজনদের সূত্রে জানা যাঢ, তাছলিমা বেগম গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাসায় শুয়ে থাকাবস্থায় হঠাৎ করে তার মুখে থাকা দাঁতে বসানো ক্যাপ গলায় আটকে নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তখন তাছলিমার মেয়ে ও এক স্বজন ( স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মী) গোল্ডেন হাসপিটালে নিয়ে যান। সেখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে এক্স-রে করিয়ে কিছু পায়নি বলে দাবী করেন।

এদিকে তাছলিমা বেগমের দম বন্ধ হয়ে আসায় তার পরিবারের লোকজন জরুরি ভিত্তিতে তাকে কুমিল্লার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর গলা থেকে একটি ক্যাপ বের করা হয়। এর পর থেকে তাছলিমা বেগম সুস্থ রয়েছেন।

এদিকে তাছলিমা বেগমের স্বজন শাখাওয়াত হোসেন শামীম রোগীর গলায় আটকে থাকা ক্যাপটির একটি ছবি গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে একটি ষ্ট্যাটার্স দেন। যে ষ্ট্যাটার্সের নিচে এফবি"দের কমেন্টে ব্যাপক মন্তব্য দেখা গেছে।

এ বিষয়ে তাছলিমা বেগমের মেয়ে নাছরিন আক্তার রেশমা জানান, ওই দিনে বিকালে মায়ের দম বন্ধ হয়ে আসায় আমরা মা'কে গোল্ডেন হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টার এন্ড ডিজিটাল ল্যাবে নিয়ে যাই। সাথে আমার খালাতো ভাই সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন শামীম ছিলেন। এসময় হাসপাতালের মায়ের এক্সরে করানো হয়। এক্সরে করানোর পর হাসপাতালের লোকজন আমাকে ও আমার খালাতে ভাইকে কম্পিউটারে জুম (বড়) এবং প্রিন্ট করে এক্সরে রিপোর্ট দেখিয়ে বলেন, তাঁর (মা) গলায় কোন কিছু আটকানো নেই। এটা ওনার মনের সমস্যা। পরে কোন উপায়ন্তর না পেয়ে মাকে কুমিল্লায় নিয়ে যাই। সেখানে মায়ের গলা থেকে একটি ক্যাপ বের করা হয়।

এ বিষয়ে শাখাওয়াত হোসেন শামীম বলেন, এক্সরে করানোর পর হাসপাতালের লোকজন এক্সরে রিপোর্ট হাতে দিয়ে আমাদেরকে কম্পিউটার রুমে নিয়ে যায়। এরপর কম্পিউটারে এক্সরে জুম করে দেখিয়ে বলে যে রোগীর গলায় কিছু নেই। এটি তার মনের সমস্যা। অথচ সে সময় আমার রোগীন দম বন্ধ (শ্বাসরুদ্ধ) হয়ে ছটপট করতে থাকে। তখন কোন উপায়ন্তর না দেখে আমরা রোগীকে অক্সিজেন দিয়ে কুমিল্লায় নিয়ে যাই এবং সেখানে তার গলা থেকে একটি দাঁতের ক্যাপ বের করা হয়।

এ বিষয়ে গোল্ডেন হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টার এন্ড ডিজিটাল ল্যাবের চেয়ারম্যান ডা. রাইসুল ইসলাম রুবেলের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ওই দিন তারা (তাছলিমা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা) এক্সরে করানোর পর রিপোর্ট না নিয়ে শুধুমাত্র এক্সরে কপিটি নিয়ে চলে যায়। এমনকি ওই এক্সরে কপিটি আমাকে বা হসপিটালের কোনো চিকিৎসককে দেখায়নি তারা।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়