চাঁদপুর, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯, ১৩ রজব ১৪৪৪  |   ১৬ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সাথে এমপির মতবিনিময়
  •   খলিশাডুলীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
  •   জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জনের মৃত্যু
  •   আজ রোটারিয়ান মরহুম দেওয়ান আবুল খায়েরের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী
  •   ফরিদগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ আটক তিন

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২১, ০০:০০

স্কুলের প্রথম দিন ছিলো আনন্দময়
অনলাইন ডেস্ক

সামিউল হাসান। পড়াশোনা করছেন চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে। তিনি দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি তার শিক্ষাজীবনসহ নানা বিষয়ে তার সাথে কথা হয় শিক্ষাঙ্গন বিভাগের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফিরোজ আলম।

শিক্ষাঙ্গন : কেমন আছেন?

সামিউল হাসান : আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি ভালো আছি।

শিক্ষাঙ্গন : স্কুলের প্রথমদিন আপনার কেমন কেটেছে?

সামিউল হাসান : স্কুলের প্রথম দিন আমার কাছে যেমন আনন্দময় ছিলো। স্কুলে ভর্তি হতে পেরে তেমনি কিছুটা বিব্রতকরও লেগেছিলো। কারণ তখন প্রায় সকল বন্ধু ও শিক্ষক আমার কাছে অপরিচিত ছিলেন। আর সাধারণভাবেই এমন অপরিচিত একটা পরিবেশে কিছুটা অসহায় মনে হচ্ছিলো নিজেকে।

শিক্ষাঙ্গন : আপনার প্রিয় শিক্ষক কে ? কেন প্রিয়?

সামিউল হাসান : আমার প্রিয় শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন। তাঁর সাবলীল ভাষায় পড়া বুঝানোর ক্ষমতা অসাধারণ।

শিক্ষাঙ্গন : সহপাঠক্রমিক কার্যক্রম আপনি কি অংশগ্রহণ করেন?

সামিউল হাসান : আগে স্কুল খোলা থাকতে বিভিন্ন ধরনের খেলা এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতাম কিন্তু বর্তমানে তো স্কুল বন্ধ।

শিক্ষাঙ্গন : এ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু বলুন?

সামিউল হাসান : আমাদের বিদ্যালয়ের নাম চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যেমন আন্তরিক তেমনি শিক্ষার্থীরাও বেশ মেধাবী ও মনোযোগী। প্রতি বছরই আমাদের বিদ্যালয় বোর্ড পরীক্ষা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে।

শিক্ষাঙ্গন : আপনি এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান হলে বিশেষ যে তিনটি কাজ করতেন?

সামিউল হাসান : প্রতিষ্ঠান প্রধান হলে আমি যে তিনটি বিশেষ কাজ করতাম সেগুলো হলো : ক. গরিব ও মেধাবীদের একদম বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ ও মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিতাম। খ. সবার জন্যে স্কুলড্রেস বাধ্যতামূলক করতাম। গ. প্রতি সপ্তাহে আন্তঃবিদ্যালয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করতাম।

শিক্ষাঙ্গন : সহপাঠীদের সম্পর্কে কিছু বলুন?

সামিউল হাসান : আমার সহপাঠীরা যেমন আন্তরিক তেমনি মেধাবী ও মনোযোগী। আমরা সর্বদা পরস্পরের দরকারে পরস্পর সাহায্য করি এবং একসাথে খেলাধুলা ও চলাফেরা করি।

শিক্ষাঙ্গন : স্কুল জীবনের একটি স্মরণীয় ঘটনা বলুন?

সামিউল হাসান : স্কুল জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটা হলো : আমার একজন সহপাঠীর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ। এছাড়াও আরো অনেক ঘটনা আছে যেগুলো আমি এখন মনে করতে পারছি না।

শিক্ষাঙ্গন : পড়াশোনা শেষ করে কী হতে চান?

সামিউল হাসান : পড়াশোনা শেষ করে একজন ডাক্তার ও আদর্শ মানুষ হতে চাই।

শিক্ষাঙ্গন : অবসর সময় কী করেন?

সামিউল হাসান : অবসর সময়ে সাধারণত খেলাধুলা, ঘোরাঘুরি বা বই পড়ি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়