চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪  |   ২১ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু
  •   হাজীগঞ্জের কিউসি টাওয়ারে আগুন :  আহত ১০ 
  •   ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, শূন্যপদ ২৩০৯
  •   করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ
  •   চাঁদপুর শহরে বিদ্যুৎষ্পৃষ্টে এক যুবকের শরীর জ্বলসে গেছে

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০

বিরহের বিভোরে নজরুল
অনলাইন ডেস্ক

'নারীর বিরহে নারীর মিলনে নর পেলো কবি প্রাণ/ যত কথা তার হইল কবিতা শব্দ হইল গান।'

নারীর বিরহ দহনে জ্বলে-পুড়ে পুরুষ যেন নতুন করে সৃষ্টি হয়। আবার নারীর প্রেম-ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে পুরুষ লাভ করে নবজন্ম-- এটাই জগতের নিয়ম। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের ক্ষেত্রেও হয়েছে তা-ই। নজরুলকে কবি হিসেবে গড়ে তুলতে নারীর প্রেম, বিরহ যে বিশেষ উপাদান হিসেবে কাজ করেছে তা বলার অপেক্ষা থাকে না।

সবার জীবনেই প্রেম আসে, আর প্রেম যে সব সময় সার্থক হয় তা কিন্তু নয়। বিরহ ও বঞ্চনা প্রেমের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। বর্তমান সময়ের প্রেমে ব্যর্থ হলে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মনে ধ্বংসাত্মক কিংবা প্রতিশোধ প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু আমাদের নজরুলের ক্ষেত্রে তা হয়নি, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বিরহকে সম্বল করে তিনি সাহিত্য রচনা করেছেন, ভারী করেছেন নিজের সাহিত্যের ভা-ার। অন্তর্নিহিত প্রেমের আনন্দ অনেক সময় প্রাপ্তির আনন্দকেও ছাড়িয়ে যায়। প্রেমিকাকে পাওয়ার পর অনেক সময় না পাওয়ার বেদনা উপলব্ধি করা সম্ভব হয় না। নজরুল বারবার প্রেমে পড়েছেন, ব্যর্থ হয়েছেন। ব্যর্থ হয়েছেন বলেই আমরা এতোসব বিরহের গান ও কবিতা পেয়েছি।

বহু বর্ণ, বহু বিচিত্র নারী চরিত্রের সংস্পর্শে এসেছেন নজরুল। তাদের ভালোবেসেছেন, ভালোবেসে বিরহে কাতর হয়েছেন, অশ্রুবিসর্জন করেছেন, কিন্তু ভালোবাসার ব্যক্তিকে অভিশাপ দেননি কখনো। পক্ষান্তরে সেই বিরহী মন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন, লিখেছেন-

‘বিদায় সখি, খেলা-শেষ এই বেলা-শেষের খনে!

এখন তুমি নতুন মানুষ নতুন গৃহকোণে।’

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষ বিদ্রোহী হয় আবার বিরহী হয়। নজরুলের মাঝে এই দুই ছিলো বিদ্যমান। সমসাময়িক অবস্থা বা প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে সাহিত্যিকরা সাহিত্য রচনা করেন। কাজী নজরুল ইসলাম তার ব্যতিক্রম হবেন কী করে? দেশের এমন এক সঙ্কটময় মুহূর্তে নজরুলের আগমন হয়েছে, যখন মুক্তি সংগ্রামের স্লোগান আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হচ্ছে। এ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রভাব পড়েছে তার কাব্যে। দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাওয়ার নেশায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন উন্মাদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে হয়েছেন মহাবিদ্রোহী। আবার ভালোবেসে ভালোবাসার মানুষকে কাছে না পেয়ে তিনি হয়েছেন বিরহ বিভোর। তাইতো নজরুল মানুষের কবি, সাম্যের কবি, তার বড় পরিচয় তিনি সাম্যবাদী কবি।

নজরুলের জীবনে যে ক'জন নারী বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছিল, তাদের সঙ্গে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠলেও সেই সব প্রেম-ভালোবাসা পূর্ণাঙ্গতা লাভ করেনি। আর তা থেকেই প্রেম-ভালোবাসার কবিতা ও গানে আনন্দ, আকাঙ্ক্ষা, বিরহ বেদনার সৃষ্টি ঘটিয়েছেন। অনেকের মতে নজরুলের জীবনে প্রেম মূলত তিনবার এসেছিল। প্রথম প্রেম নার্গিস, দ্বিতীয় স্ত্রী প্রমীলা দেবী এবং তৃতীয় বেগম ফজিলাতুন্নেসা। তবে অনেক ক্ষেত্রে উমা মৈত্র’র নামও উঠে এসেছে। উমা মৈত্র’র ডাক নাম ছিল নোটন। সে সময়কার ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপাল সুরেন্দ্রনাথ মৈত্রের মেয়ে উমা। গান শিখাতে গিয়ে নজরুল নোটনের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন বলে অনেকের ধারণা। কেননা কবির বিরহী প্রেমে নার্গিস-ফজিলাতুন্নেসার পাশাপাশি উমা মৈত্রের কথাও বলেছেন অনেকে। বলা হয়ে থাকে, উমা মৈত্রের কথা কবি তার ‘শিউলিমালা’ গল্পটিতে বর্ণনা করেছেন 'শিউলি’ নামে রূপক ভাবে। এর মাঝে ফজিলাতুন্নেসার প্রতি কবির অনুরাগ কিংবদন্তীতুল্য। ভালোবেসে না পেয়ে লিখেছেন-

"বুকে তোমায় নাই বা পেলাম, রইবে আমার চোখের জলে/ওগো বধূ তোমার আসন গভীর ব্যথার হিয়ার তলে।"

এভাবে নজরুলের অসংখ্য কবিতা ও গানে প্রেম ও বিরহ প্রকাশ পেয়েছে।

নারী ছাড়া নজরুলের কবিতা কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। তিনি নারী চরিত্রগুলো নিজের দুঃখে, অশ্রুজলে, হাসিতে, কান্নায় সৃজন করেছেন। নিজেই নিজেকে ভেঙ্গেছেন, আবার নিজেই গড়েছেন। ‘নারী’ কবিতায় লিখেছেন :

‘বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ বেদনা অশ্রুবারি,/ অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী।/ নরককুণ্ড বলিয়া কে তোমা’ করে নারী হেয়-জ্ঞান?/ তারে বলো, আদি পাপ নারী নহে, সে যে নর-শয়তান।’/

বিরহে কাতর হয়ে কবি তাঁর রচিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যের 'অভিশাপ' কবিতায় লিখেছেন :

‘যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে/ অস্তপারের সন্ধ্যা তারায় আমার খবর পুছবে/বুঝবে সেদিন বুঝবে..।’

কবির হৃদয়ে যে ভালোবাসা অঙ্কুরিত হয়েছিল তা পরিপূর্ণতা পাওয়ার পূর্বেই বিরহের সুর বেজে ওঠেছিলো। বিরহ না থাকলে নাকি প্রেমের সার্থকতা হয় না, নজরুল প্রেম আর প্রেমের সার্থকতাকে বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন কাব্যে। কখনো তার বিদ্রোহের মাঝে প্রেম, আবার কখনো প্রেমের মাঝে বিদ্রোহ প্রকাশ করে, তাই বলে তিনি ব্যক্তিবিশেষের ওপর বিদ্রোহের প্রকাশ ঘটাননি।

বিরহ পুরুষকে কাঁদায় প্রকাশ্য অথবা গোপনে, অন্তরের কাঁদন অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণের দৃষ্টির আড়ালেই রয়ে যায়। কাজী নজরুল ইসলামের ‘বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি’ কবিতাটিতে বিরহী পুরুষের বোবাকান্নার করুণ ছবি তুলে ধরেছেন। অনেক প্রেমিক পুরুষ আছে যারা তাদের বিচ্ছেদ বেদনা কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে পারে না। ভাবেন বন্ধুবান্ধব বা অন্য কোনো মানুষকে নিজের বেদনার কথা শোনালে নিজেকেই অন্যদের কাছে উপহাসের পাত্র করে তোলা হবে। নজরুল ছিলেন তার ব্যতিক্রম। 'মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী, দেব খোঁপায় তারার ফুল', প্রিয় এমন রাত যেন যায় না বৃথাই, মিলন-রাতের মালা হব তোমার অলকে, বুলবুলি নীরব নার্গিস-বনে, যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই, মোরা আর জনমে হংস-মিথুন, গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙে যায়-এর মতো অসংখ্য প্রেমের গানে তিনি নিজের বিরহের কথা প্রকাশ করেছেন। হয়তো নজরুল বলেই তা সম্ভব হয়েছে।

নারীর ভালোবাসায় নজরুল কবি হয়ে উঠেছেন। এমন স্বীকারোক্তি লক্ষ্য করা যায় তার ‘কবি-রাণী’ কবিতায়। এক কবিতায় তিনি বলেছিলেন,

‘প্রেমের পরশে প্রত্যেকেই কবি হয়ে ওঠে’। তিনি আরো বলেছেন-

‘তুমি আমায় ভালোবাসো তাইতো আমি কবি।

আমার এ রূপ--সে যে তোমার ভালোবাসার ছবি।’

নজরুল ইসলামের কাব্যে প্রেম বা রোমান্টিসিজম সম্পর্কে বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেছেন, ‘প্রকৃতির মাঝে আত্মভাবের বিস্তার এবং একই সাথে প্রকৃতির উপাদান সান্নিধ্যে অন্তর ভাবনার উন্মোচন রোমান্টিক কবির সহজাত বৈশিষ্ট্য। ‘চক্রবাক’ কাব্যে নজরুলের এই রোমান্টিক সত্তার প্রকাশ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ইতোপূর্বের কাব্যসমূহেও আমরা নজরুলের প্রকৃতি চেতনার পরিচয় পেয়েছি, কিন্তু ‘চক্রবাক’-এ এসে লক্ষ্য করছি, এখানে প্রকৃতি নজরুলের প্রজ্ঞাশাসিত ও অভিজ্ঞতালব্ধ মানসতার স্পর্শে এসে হয়ে উঠেছে সংযত, সংহত এবং শূন্যতা তথা বেদনার প্রতীকী ধারক।’

নজরুলের কাব্যগ্রন্থে প্রেমের নিবিড়তা, চিরন্তনতা এবং বিচ্ছেদের তীব্র জ্বালার প্রকাশ দেখা যায়। সিন্ধুর অশান্ত রূপ কবিচিত্তের বিচ্ছেদ জ্বালা পথিকের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। কবি বলেছেন :

‘এক জ্বালা, এক ব্যথা নিয়া

তুমি কাঁদ আমি কাঁদি, কাঁদে মোর হিয়া।’

নার্গিসের চিঠির উত্তরে নজরুল লিখেছিলেন--

'যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই, কেন মনে রাখো তারে, ভুলে যাও ভুলে যাও তারে একেবারে’।

নজরুলের বিরহের বিখ্যাত অনেক গানের মাঝে এটি একটি। নার্গিসকে উদ্দেশ্য করে কবি 'চক্রবাক' কাব্যে বেশ ক'টি বিরহের কবিতা লিখেছিলেন। চক্রবাক কাব্যগ্রন্থই সেই বিরহ সত্তার জ্বলন্ত ও জীবন্ত নিদর্শন। এই কাব্যের প্রায় প্রতিটি কবিতার অভিব্যক্তি ও বিরহের সুর হৃদয়কে স্পর্শ করে। এর প্রথম কবিতা ‘তোমারে পড়িছে মনে’ কবির গভীর বিরহানুভূতির প্রকাশ। লিখেছেন ‘হার-মানা-হার’। তাদের প্রেমের বয়স ছিলো মাত্র দু'মাস। এই দু’মাসের প্রেমের সময়কালে তিনি নার্গিসকে নিয়ে লিখেছিলেন ১৬০টি গান ও ১২০টি কবিতা। ১৯৩৭ সালে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। যদিও কেউ কেউ বলেন, নজরুল আর নার্গিসের বিয়েই হয়নি, বিয়ের অনুষ্ঠান থেকেই অভিমান করে নজরুল উঠে চলে যান। ভালোবেসে নার্গিসকে নিয়ে যেমন লিখেছেন, আবার নার্গিসের বিরহেও কবি অনেক বিরহী গান রচনা করেন।

নারীর উৎসাহ-প্রেরণা ও প্রেমের মহিমা তাকে বিদ্রোহী হতে উৎসাহ জুগিয়েছে। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায়ও তার প্রেম প্রকাশিত হয়েছে। নারী হৃদয়ের ব্যর্থতা, ক্ষোভ ও বাসনাকে কবি নিজের বিদ্রোহের উপাদান হিসেবে গ্রহণ করেছেন। নজরুলের সর্বাপেক্ষা অমূল্য সৃষ্টি ‘বিদ্রোহী’ কবিতা এর উদাহরণ।

‘আমি বন্ধনহারা কুমারীর বেণী, তন্বী-নয়নে বহ্নি,/ আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!/ আমি উন্মন মন উদাসীর,/ আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশির।'

কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত একটি আধুনিক গান ‘সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায়, তুমি ফিরিলে না ঘরে।’ এই গানে নজরুল একজন সাধারণ গেরস্ত প্রকৃতির মানুষের প্রিয়তম জীবন সঙ্গিনীকে হারানোর কান্না উপস্থাপন করেছেন। বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর জীবনে দ্রোহের সঙ্গে সঙ্গে যে প্রেমের প্রকাশ ঘটেছে তারই অনুরণন ঘটেছে তাঁর প্রেম পর্যায়ের গান ও কবিতায়। নজরুলের প্রেম পর্যায়ে এই সব গান ও কবিতা চিরকালীন অনুষঙ্গে ভাস্বর। প্রেমিক কবি নজরুলের এই পর্যায়ের গান ও কবিতা আজকের প্রেমিক-প্রেমিকাদের হৃদয়তন্ত্রীকে প্রেম-ভালোবাসা এবং বিরহ বেদনায় অনুপ্রবেশ ঘটায়।

কবির হৃদয়ে যদি বিরহের সুর না বাজত তাহলে হয়তো কালজয়ী কিছু গান ও কবিতা সৃষ্টিই হতো না। নজরুলের প্রেম ও বিরহ নিয়ে লেখা গান, কবিতা ও গল্প বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে, যা চির ভাস্বর হয়ে থাকবে। নারীদের সমান অধিকারের কথা যেমন নজরুল বলেছেন, তেমনি করে তাঁর কবিতায় সেই একই উত্তরের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছেন। এজন্যে সেই সময়ে পুরুষরা তাঁকে ভাবতো নারীবাদী, নারীঘেঁষা কবি। কবি নিজেই তাঁর কবিতায় তুলে ধরেছেন ‘নর-ভাবে আমি বড় নারী ঘেঁষা! নারী ভাবে, নারী বিদ্বেষী!’ ( কৈফিয়ত, সর্বহারা।)

ভালোবাসার আঘাতে জর্জরিত অথবা বিরহ-বিচ্ছেদণ্ডবেদনায় দহিত পুরুষটি যদি কোনো সৃজনশীল মানুষ হয়ে থাকেন, তবে তিনি শুধু গোপন আগুনে পুড়ে পুড়ে নিজেকে নিঃশেষ করে দেন না; তিনি আপন অন্তরঙ্গ বেদনার উপকরণ দিয়ে সৃষ্টি করেন অশ্রুর নদী, প্রণয়ের স্মৃতিস্তম্ভ। কবি বিদ্রোহী হলেও তিনি যে বিরহের কবি, তার যে রয়েছে প্রেমিক হৃদয়। তিনি যে প্রেমের কাঙাল, তা উঠে এসেছে রচনায়। প্রিয়াকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সম্বোধন করে কবিতা লিখেছেন-

'হে মোর রাণী! তোমার কাছে হার মানি আজ শেষে।/ আমার বিজয়-কেতন লুটায় তোমার চরণ-তলে এসে।'

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়