চাঁদপুর, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯, ২৭ জিলকদ ১৪৪৩  |   ৩৩ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   অবৈধ দখলদারের কারণে বন্ধ রয়েছে বাবুরহাট জেলা পরিষদ মার্কেট নির্মাণ
  •   ভালোমানের সরঞ্জাম ভালো খেলাকে উৎসাহিত করে : শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি
  •   পদ্মা সেতু ভ্রমণে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালো কচুয়ার রিয়াদ
  •   শাহরাস্তিতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক
  •   চাঁদপুরে ১ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২২, ০০:০০

শুধুই কি বিড়াল ছিলো?
অনলাইন ডেস্ক

আমি টের পেলাম কেউ একজন আমার চুল আলতো করে টানছে। বারবার টানছে। চোখে প্রচণ্ড ঘুম। তাই চোখ খুলতে পারছি না। নির্ঘুম রাত, ইঁদুরের উৎপাত আর মশার আদরের কথা এখানে নাই-বা বললাম। আমি বেশ আরাম পাচ্ছি। তাই আবার ঘুমিয়ে গেলাম।

একসময় টের পেলাম। সে আমার কান, চোখ, গাল, ঠোঁট তার ঠোঁট দিয়ে আদর করছে। হঠাৎ সে বুকের উপর আলতো করে বসে গেলো। আবার পূর্বের ন্যায় আমার চুল এলিয়ে দিচ্ছে। আমি আরো প্রশান্তি পেতে শুরু করলাম। কখন আবার ঘুমিয়ে গেলাম জানি না।

ঘুমের ঘোরে অনুভব করলাম। বাইরে ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। আমার ভীষণ ভালো লাগছে। রাতের ঘুমটা পুষিয়ে নেয়া যাবে। কিছুক্ষণ পরেই বৃষ্টি শুরু হলো। মুখে হালকা ছিঁটকা পানি আসছে। তবুও চোখ খুললাম না।

কখন ঘুমিয়ে গেলাম জানি না। আবার ঘুমের ঘোরে টের পেলাম কে যেনো বুকে শুয়ে আছে। একটু হালকা ভারী। আমি প্রেম করে বিয়ে করেছি। জীবনসঙ্গী বিয়ের আগে আগে অনেক রোমান্টিক ছিলো বটে। কিন্তু বিয়ের পরে তার কিছুই ঘটেনি। উল্টো ঝগড়া প্লাবিত হচ্ছিলো। শত হলেও হারাম সম্পর্কের বিয়ে। অশান্তি তো থাকবেই। বৃষ্টিতে সে রোমান্টিক হয়েছে এটা ভেবেই আবার গভীর ঘুমে তলিয়ে যেতে চাইলাম। সফলও হলাম।

মধ্যরাতে যখন আমার ঘুম আসছিলো না। তখন একাধিক ঘুমের ঔষুধ খেয়েছিলাম। ভারী অনুভব করার পরেও তাই চোখ খুলে দেখিনি।

কয়েক ঘণ্টা পর পুরোপুরি ঘুম ভাঙলো। দেখলাম একটা ছোট বিড়াল পায়ের কাছে শুয়ে আছে! একটা বিড়াল ঘুমের মধ্যে এতো কিছু করছে বোধগম্য হলো না। তাই জীবনসঙ্গীনির কাছে দৌড়ে গেলাম। সে বুকে শুয়ে ছিলো কি না জানার জন্যে। হঠাৎ জীবনসঙ্গীনীর ছোটজন আমার দিকে তাকিয়ে মৃধু হাসছে। সে গত এক সপ্তাহ ধরে এ বাড়িতে আছে। তারই পোষা বিড়াল।

বিড়াল নিয়ে কিছু বলতে যাবো তখনই সঙ্গীনী বলে উঠলো তোমার কাজিন এসেছে কয়েক ঘন্টা আগে। বিপরীতা কাজিন। অবশ্য সে একটু দুষ্টু প্রকৃতির। তাই আর আমি বিড়ালকে নিয়েও সাহস করে সঙ্গীনীকে কিছু বলতে পারলাম না। কারণ যদিও বিড়াল হয় তবুও সে বিষয়টা সহজ ভাবে নিবে না। কাজিন, তার ছোট বোনকে নিয়ে বড়সড় ঝামেলা বেঁধে যেতে পারে। শত হলেও মেয়েদের মন। ওদের স্বামীর ভাগ কাউকে মরে গেলেও সহ্য করতে পারে না। তার উপর প্রেমের বিয়ে। আমি তাই নিজেকে বিড়াল ভেবেই শান্ত¡না দিতে লাগলাম। কিন্তু আমার মনের মধ্যে সন্দেহের বন্যা বয়ে যেতে লাগলো।

বারবার ভেতরে থেকে প্রশ্ন উঠতে থাকলে কে হতে পারে? কে?

* পাঠক ফোরাম বিভাগে লেখা পাঠানোর ই-মেইল : pathok.ck@gmail.com

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়