চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯, ১০ রজব ১৪৪৪  |   ২২ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   মতলবের আনন্দবাজারে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকান পুড়ে ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি
  •   ভাষার মাসের প্রথমদিনে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট
  •   ক্ষতিকর জেলি মেশানো ৬২০ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ
  •   রো রো ফেরির ধাক্কায় জেলে নৌকাডুবি
  •   জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০

ঢাকায় খেলার সুযোগ পেলেন চাঁদপুরের ৪ নারী ফুটবলার
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥

ঢাকায় রেঞ্জার্স ক্লাবে খেলার সুযোগ পেলেন চাঁদপুরের ৪ নারী ফুটবলার। এ ক্লাবটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল। রাজধানীর উত্তরার এ ক্লাবটি একটি কর্পোরেট হাউজের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঢাকায় প্রথম বিভাগ মহিলা ফুটবল লীগে দলটি অংশগ্রহণ করেছে। সারা বাংলাদেশ থেকে উদীয়মান তরুণ নারী ফুটবলার বাছাই করে আবাসিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মধ্য থেকে লীগে অংশগ্রহণ করার জন্যে মূল দল গঠন করা হবে বলে জানা গেছে।

চাঁদপুর থেকে সুযোগ পাওয়া নারী ফুটবলরাররা হলেন : সোনালী অতীত ফুটবল একাডেমীর ইতি আক্তার, মুনিরা, রুবিনা আক্তার ও পিংকি আক্তার। এদের মধ্যে একজন গোলকিপার, ২জন রক্ষণভাগের ও একজন মধ্যমাঠের খেলোয়াড়।

ঢাকায় সুযোগ পাওয়া ৪ নারী ফুটবলার সোমবার রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে চাঁদপুর ত্যাগ করার কথা। উত্তরার ঢাকা রেঞ্জার্স ক্লাবটিতে তারা আজ মঙ্গলবার রিপোর্ট করবেন। চাঁদপুরের নারী ফুটবলার সহ দেশের বাছাইকৃত অন্যান্য নারী ফুটবলারকে ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে তিন মাসের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই প্রশিক্ষণে অংশ নিবেন চাঁদপুরের নারী ফুটবলারগণ। তাদের সাথে ক্লাবটির বার্ষিক চুক্তি হয়েছে।

চাঁদপুর সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি ও সাবেক ফুটবলার মনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং সাবেক ফুটবলার ও বাফুফের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোচ জাহাঙ্গীর হোসেন গাজীর সাথে এ প্রতিবেদক আলাপকালে তারা জানান, তাদের ক্লাবের ৪ জন নারী ফুটবলারকে নিয়ে গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় উত্তরার ক্লাবটিতে যান। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও দেশসেরা সাবেক স্ট্রাইকার আলফাজের মাধ্যমেই এ ক্লাবটিতে নারী ফুটবলারগণ খেলার জন্য আর্থিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তারা জানান যে, আমাদের ক্লাব থেকে আরো ক'জন নারী ফুটবলার বিভিন্ন ক্লাবে খেলার জন্যে ডাক পেয়েছেন। যারা উত্তরার ক্লাবটিতে আজ মঙ্গলবার যোগদান করবেন। তারা দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবলের সাথে জড়িত রয়েছেন। তারা যেনো ভবিষ্যতে ঢাকার বড় বড় দলসহ জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পায় এ জন্যে জেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ঢাকায় সুযোগ পাওয়া ৪ নারী ফুটবলারের মধ্যে ইতি আক্তার বসবাস করেন শহরের বিষ্ণুদী এলাকায়। তার বাবার নাম হারুন মৃধা। চলতি বছর তিনি লেডি প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছেন। গত ৪ বছর ধরে চাঁদপুর সোনালী অতীত ফুটবল একাডেমীতে অনুশীলন করে যাচ্ছেন।

ক্রীড়াকণ্ঠের এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, নারী ফুটবলার হিসেবে যেনো একজন ভালো ফুটবলার হতে পারি এ জন্যে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

সে স্টপার হিসেবে মাঠে খেলেন।

মুনিরা আক্তারের বাবার নাম দেলোয়ার হোসেন। বসবাস করেন চাঁদপুর শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায়। তিনি এবার আক্কাস আলী রেলওয়ে একাডেমী থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। গত ৪ বছর ধরে চাঁদপুর সোনালী অতীত ফুটবল একাডেমীতে অনুশীলন করে যাচ্ছেন। ক্রীড়াকণ্ঠের এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে তিনি জানান, আমার ইচ্ছা ও স্বপ্ন একজন ভালো নারী ফুটবলার হওয়া। জীবনে প্রথমবারের মতো আবাসিক প্রশিক্ষণ সহ বড় দলে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ভালো লাগছে। খেলার মাঠে লেফ্টব্যাক হিসেবে তিনি খেলেন ।

রবিনা আক্তারের বাবার নাম দেলোয়ার হোসেন সরকার। তিনি বসবাস করেন চাঁদপুর শহরের বড়স্টেশন ক্লাব রোড এলাকায়। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত ফুটবল অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন চাঁদপুর সোনালী অতীত ফুটবল একাডেমীতে। ক্রীড়াকণ্ঠের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আমি একজন ভালো নারী ফুটবল দলের গোলকিপার হতে চাই। আমি আমাদের একাডেমীর মাধ্যমে ঢাকায় বড় দলে খেলার সুযোগ পাওয়াতে আমার ভালো লাগছে। আমি যেনো ভালো খেলতে পারি এ জন্যে সকলের দোয়া চাই।

পিংকি আক্তারের বাবার নাম সিদ্দিক বেপারী। তিনি বসবাস করেন শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায়। আক্কাছ আলী রেলওয়ে একডেমীর দশম শ্রেণীর ছাত্রী। একজন ভালো মিডফিল্ডার হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। গত ৪ বছর ধরে তিনি চাঁদপুর সোনালী অতীত ফুটবল একাডেমীতে অনুশীলন করে যাচ্ছেন। ক্রীড়াকণ্ঠের এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আমি একজন ভালো নারী ফুটবলার হতে চাই। ঢাকাতে বাছাই কার্যক্রমে অংশ নিয়েই মূল দলের সাথে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। আমি সকলের দোয়া চাই, যেনো এ জেলার একজন ভালো নারী ফুটবলার হতে পারি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়