চাঁদপুর, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ জিলকদ ১৪৪৩  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   বৃহৎ র‌্যালি আল-আমিন একাডেমি ও চেয়ারম্যান সেলিম খানের
  •   পদ্মা সেতুর থিম সং-এর গীতিকার কবির বকুলকে শিক্ষামন্ত্রীর অভিনন্দন
  •   হাইমচরে পানিতে ডুবে শিশুর করুণ মৃত্যু
  •   শনিবার চাঁদপুরে পাঁচজনের করোনা শনাক্ত
  •   মতলব উত্তরে নৌকাডুবি ॥ নিখোঁজ ১

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২২, ০০:০০

দুর্গ থেকে মিউজিয়াম হয়ে ওঠা ল্যুভর
আরফাতুন নাবিলা

অতীত সংরক্ষণ করে রাখার জন্য মিউজিয়াম নির্মিত হলেও অনেক মিউজিয়ামেরও নিজস্ব ইতিহাস আছে। এই মিউজিয়ামগুলোর সঙ্গে অনেক মানুষ, অনেক গল্প, অনেক হারানোর স্মৃতি মেশানো থাকে। পুরনো গল্প হয়তো হারিয়ে যায়, টিকে থাকে শুধু মিউজিয়ামগুলো। এমনই একটি মিউজিয়ামের নাম প্যারিসের বিশ্ববিখ্যাত ল্যুভর মিউজিয়াম। কোন কোন বিষয়ের জন্য ল্যুভর বিখ্যাত সে তথ্য অনেকেরই জানা। কিন্তু কীভাবে ল্যুভর আজকের মিউজিয়াম হয়ে উঠল, সেটি জানতে হলে আমাদের ওল্টাতে হবে ইতিহাসের পাতা।

বিশ্বজুড়ে একনামে চেনা এই মিউজিয়ামটি নির্মিত হয় ৮০০ বছর আগে। শুরুতে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল দুর্গ হিসেবে। প্যারিস শহরকে বহিরাগতদের আক্রমণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য এটি নির্মিত হয়েছিল। অবশ্য খুব বেশি দিন এই দুর্গটি টিকে থাকতে পারেনি। ফরাসি রাজার রাজকীয় আবাস গড়ে তোলার জন্য দুর্গ ভেঙে প্রাসাদ বানানো হয়। ১৯ শতকে, ল্যুভরকে মিউজিয়াম হিসেবে নির্মাণ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। মোনালিসা, ভেনাস দ্য মিলো, গ্রেট স্ফিংক্স অব ট্যানিসসহ পৃথিবীখ্যাত প্রায় ৩৫ হাজারেরও বেশি চিত্রকর্মের ঘর বর্তমানের এই ল্যুভর।

কেন মিউজিয়ামের নাম ল্যুভর সেটি নিয়ে অবশ্য ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ আছে। দুটি থিওরি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। প্রথমটি হচ্ছে, ল্যুভর শব্দটি এসেছে লাতিন ‘লুপারা’ থেকে। এর অর্থ নেকড়ে। অতীতে মিউজিয়ামের এই এলাকায় নেকড়ের অবস্থান ছিল বলে এমন নামকরণ। আরেকটি থিওরি হচ্ছে, ফ্রেঞ্চ শব্দ ‘ষড়বিৎ (ভবন)’-কে ভুল করে টাওয়ার হিসেবে বোঝা। সম্ভবত ভিন্ন নকশার জন্য পরিচিত করানোর চেষ্টা হিসেবে ল্যুভর নাম দেওয়া হয়েছিল।

প্রতিরক্ষামূলক দুর্গ

১১৯০ সালের দিকে, ইংরেজ ও নরম্যানদের আক্রমণ থেকে প্যারিস শহরের সুরক্ষার জন্য ল্যুভর দুর্গ ও তার সামনে একটি দেয়াল নির্মাণের নির্দেশ দেন রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ অগাস্টাস। ১৩ ও ১৪ শতাব্দীর দিকে, সম্পদ ও প্রভাবের দিক থেকে বেশ সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে প্যারিস। এরপরই দ্রুতহারে বাড়তে থাকে প্যারিসের জনসংখ্যা। মানুষের ক্রমবর্ধমান এ বৃদ্ধির কারণে খুব বেশি দিন টিকিয়ে রাখা যায়নি শহর রক্ষাকারী দেয়াল। কিছুদিনের মধ্যে দুর্গ ভেঙে নির্মাণ করা হয় রাজকীয় প্রাসাদ।

ফ্রেঞ্চ রাজা পঞ্চম চার্লস দুর্গে বাস করা শুরু করার পর দুর্গ ভেঙে প্যালেস নির্মাণ করতে নির্দেশ দেন। একশ বছরের যুদ্ধ শেষে প্যারিস থেকে দূরে লোহওয়া ভ্যালের তীরে নিরাপদে থাকার জন্য ফ্রান্সের রাজারা সেখানে বাস করা শুরু করেন। তাদের জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও চার্লস এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্যারিসে থাকা নিরাপদ মনে না করলেও শতবর্ষী যুদ্ধের মাত্র কয়েক বছর পর ফ্রান্সের রাজপরিবারের জন্য ল্যুভর প্রাথমিকভাবে থাকার জায়গা হয়ে ওঠে। রাজপ্রাসাদ হয়ে ওঠার আগে ল্যুভর দুর্গ ব্যবহার করা হতো কারাগার, অস্ত্রাগার এমনকি রাজস্ব বিভাগ হিসেবেও।

রাজপ্রাসাদ হয়ে ওঠা

মূল ল্যুভর দুর্গটি নির্মাণ করা হয়েছিল সিন নদীর ডান পাশে। নদী আর প্যারিসের সংযোগস্থলে ছিল এর অবস্থান। ল্যুভরের অবস্থান এখন যেমন শহরের কেন্দ্রে, তখন এর অবস্থান এমন ছিল না। এর অবস্থান ছিল শহরের বাইরের দিকে। দুর্গের কাজ ছিল শহরে প্রতিরক্ষামূলক নজরদারি করা। প্রতিরক্ষার দিকে খেয়াল রেখেই বানানো হয়েছিল দুর্গের নকশা। ভবনের আকৃতি ছিল চতুষ্কোণ, যার চারপাশ ছিল পরিখাবেষ্টিত (দুর্গ রক্ষার্থে নির্মিত খাত)। প্রাচীরের সঙ্গে চারদিক দিয়ে ছিল বেশ কিছু প্রতিরক্ষামূলক টাওয়ার। প্রধান টাওয়ারটি ছিল ঠিক মাঠের মাঝখানে আলাদা এক পরিখায় ঘেরা। আরও ছিল রাজসিন্দুক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কারাদণ্ডের জন্য বিশেষ সিলিন্ডার আকৃতির এক ভবন। তবে পরে নগরের পরিধি বাড়ার ফলে প্রতিরক্ষার কাজে এ দুর্গটি আর ব্যবহৃত হয়নি। এখনো জাদুঘরের বেইসমেন্টে (ভবনের সর্বনিম্ন তলা, যা ভূগর্ভস্থ) পুরনো সেই দুর্গের অংশ দেখা যায়, যা সেইন্ট লুইসের (১২২৬-৭০) আমলে তৈরি। বিভিন্ন নথিপত্র ও এর আগের নকশা বিশ্লেষণ করে বলা যায়, ফিলিপ অগাস্ট যে ল্যুভর তৈরি করেছিলেন, সেটিকে কোনোভাবেই রাজপ্রাসাদ বলা চলে না, বরং এটি ছিল এক ধরনের গ্যারিসন (সৈন্য দলের অবস্থান)।

১৪ শতকে রাজা পঞ্চম চার্লস দুর্গকে প্রাসাদ বানানোর কথা বললেও ১৬ শতকে স্পেন থেকে প্রথম রাজা ফ্রান্সিসের ফিরে না আসা পর্যন্ত এই কাজ শুরু হয়নি। ১৫৪৬ সালে ফ্রান্সিস এটিকে প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন। এরপর থেকেই পর্যায়ক্রমে এটি ফরাসি রাজাদের প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। প্যারিস শহরের দায়িত্ব নেওয়ার পর ল্যুভরকে অফিশিয়ালি রাজপ্রাসাদ হিসেবে ঘোষণা দেন ফ্রান্সিস। তিনি প্যালেসে নিজের পছন্দের চিত্রকর্ম সংগ্রহে রাখতে বেশি পছন্দ করতেন। বর্তমানে আমরা যে প্রাসাদটি দেখতে পাই প্রথম ফ্রান্সিসের সময় সেটি পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তার আমলে ল্যুভরের কাজ হয়েছিল পিয়েরে লেসটের তত্ত্বাবধানে। ল্যুভরের বেশির ভাগ কাজ হয়েছিল সতেরো শতকে ত্রয়োদশ লুই ও চতুর্দশ লুইর সময়। তাদের দুজনেরই শিল্পের প্রতি বিশেষ অনুরাগ ছিল। তাদের মন্ত্রীরা তাদের জন্য নানা স্থান থেকে মূল্যবান শিল্পকর্ম সংগ্রহ করত। ১৬৮২ সালে চতুর্দশ লুই ল্যুভরকে রাজসংগ্রহ প্রদর্শনীর জন্য ছেড়ে দিয়ে ভার্সাই চলে যান। তখন ল্যুভরে ঠাঁই হয় বিভিন্ন আর্ট অ্যাকাডেমির। এই অ্যাকাডেমিগুলো নিয়মিত তাদের সদস্যদের শিল্পকর্মের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করত। নবজাগরণের সে যুগে, ফ্রান্সের মধ্যবিত্তরা রাজপরিবারের সেসব সংগ্রহ দেখার জন্য প্রাসাদে যেত। ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের আগ পর্যন্ত তখনো অবশ্য প্রাসাদ তখনো মিউজিয়াম হয়ে ওঠেনি।

ন্যাশনাল মিউজিয়াম

ফরাসি বিপ্লবের সময় চতুর্দশ লুই ও তার স্ত্রীকে টুইলারিস প্রাসাদে কারারুদ্ধ করা হয় এবং ১৭৯৩ সালে সেখানেই তাদের শিরোচ্ছেদ করা হয়। টুইলারিস প্রাসাদটি ছিল ল্যুভর সংলগ্ন। রাজকীয় চিত্রশিল্পের সংগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে ৫৭৩টি চিত্রকর্ম নিয়ে মিউজিয়াম হিসেবে খুলে দেওয়া হয় ১৭৯৩ সালের আগস্ট মাসে। এরপর অবশ্য কিছু সময় সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রাখা হয় মিউজিয়াম। অনেকেই রাজ সংগ্রহের গণপ্রদর্শনীর দাবি করছিলেন অনেক দিন ধরে। এ কারণে মাঝেমধ্যে জনগণের জন্য কিছু প্রদর্শনীর আয়োজন করা হলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফরাসি লেখক ও দার্শনিক দেনিস দিদরো তাদের মধ্যে একজন ছিলেন, যারা প্রথম জাতীয় পর্যায়ের একটি জাদুঘরের দাবি তুলেছিলেন। চারদিক থেকে দাবি এলেও ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের আগ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ের একটি স্থায়ী জাদুঘর তৈরির কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি। ১৭৯৩ সালের ১০ আগস্ট ফ্রান্সের বৈপ্লবিক সরকার ল্যুভরের গ্র্যান্ড গ্যালারিতে মিউজিক সেন্ট্রাল দি আর্ট (Musée Central des Arts) চালু করে।

ল্যুভরের সংগ্রহ বৃদ্ধিতে নেপোলিয়নের ভূমিকা ছিল অনেক বেশি। নেপোলিওনিক যুদ্ধের সময় নেপোলিয়ন সৈন্যদের লুট করে নিয়ে আসা চিত্রকর্মের কারণে মিউজিয়ামের সংগ্রহ আরও বাড়তে থাকে। ইতালি ও মিসর থেকে নিয়ে আসা অনেক চিত্রকর্ম অবশ্য ফেরত দেওয়া হয় ১৮১৫ সালে নেপোলিয়নরা ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজিত হলে। তবে মূল্যবান প্রাচীন মিসরীয় সংগ্রহগুলো এখনো মিউজিয়ামে শোভা পায় নেপোলিয়নের অভিযানগুলোর স্মারক হিসেবে। প্রচলিত আছে, নেপোলিয়নের শাসনামলে মোনালিসার চিত্রকর্মটি ল্যুভর থেকে সরিয়ে নিজের শোওয়ার ঘরে রেখেছিলেন তিনি।

১৯ শতকে, রয়্যাল অ্যাকাডেমিকে জাতীয় অ্যাকাডেমিতে পরিণত করা হয়। মিউজিয়ামের নিয়ন্ত্রণ গণতান্ত্রিকভাবে ফ্রান্স সরকারের অধীনে চলে যায়। তৃতীয় নেপোলিয়নের শাসনামলে ১৯ শতকে ল্যুভরের আরও দুটি অংশ বাড়ানো হয় এবং ১৮৫৭ সালের মধ্যে বহু ভবনের ল্যুভরের স্থায়ী কাঠামোটি সম্পূর্ণ হয়েছিল। গত শতাব্দীর ৮০ ও ৯০-এর দশকে জাদুঘর হিসেবে ল্যুভরে আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করা হয় ও প্রদর্শনীর স্থান কয়েক হাজার বর্গ মাইল বৃদ্ধি করে ল্যুভরকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্র্যান্ড ল্যুভর নামকরণ করা হয়।

১৯৮০ সালের শুরুতে, ল্যুভরকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে জায়গা বাড়ানোর প্রস্তাব করেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়াঁ মিতেরাঁ। এই দায়িত্ব দেওয়া হয় চীন-আমেরিকান স্থপতি ইয়ো মিং পেই কে। পে চাচ্ছিলেন প্রবেশপথকে এমনভাবে বানাতে যেন সেখানে আকাশের প্রতিচ্ছবি পড়ে, সেই সঙ্গে দেয়াল ও মেঝে দৃশ্যমান হবে। ল্যুভরে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কাচের পিরামিডটি তৈরি করা হয়। স্থপতি ইয়ো মিং পে ল্যুভরের মূল প্রবেশপথে এই পিরামিড নির্মাণ করেন। পিরামিডটি ১৯৮৮ সালে উদ্বোধন করা হয়। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক দারুণ সমন্বয় এই পিরামিড। বড় পিরামিড ছাড়াও ল্যুভরে ছোট ছোট আরও তিনটি পিরামিড আছে। ফরাসি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ল্যুভরের একটি অংশ ১৯৯৩ সালে ল্যুভরের ২০০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর তখন থেকেই পুরো ল্যুভর জাদুঘর হিসেবে ব্যবহার হতে শুরু করে। ল্যুভরে ৩ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শনীয় বস্তু আছে, কিন্তু এর পুরোটা প্রদর্শন করা হয় না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ল্যুভর

১৯৩৯ সালের গ্রীষ্মে, ল্যুভর থেকে মোনালিসাসহ চার হাজারেরও বেশি চিত্রকর্ম গোপনীয়ভাবে স্থানান্তরের সময় তদারকের দায়িত্বে ছিলেন ফ্রান্সের ন্যাশনাল মিউজিয়ামের পরিচালক জাক জজার্ড। পরের বছর, প্যারিসে এডলফ হিটলার আক্রমণ করলে জুন মাস নাগাদ পুরো শহর নাৎসিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এই বাহিনী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ল্যুভরকে চুরি করা শিল্পসামগ্রীর সংরক্ষণাগার হিসেবে ব্যবহার করত। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যায়। এরই মধ্যে বেশ কিছু চিত্রকর্ম লয়ের ভ্যালের শ্যাতো দ্য শামবর্ডে সরিয়ে নেওয়া হয়। জার্মানিদের হাতে যেন না পড়ে সেজন্য সেগুলো এক রাজ্য থেকে রাজ্যে স্থানান্তর করা হয়। যুদ্ধ শেষে অবশ্য লুকিয়ে রাখা আরও বেশ কয়েকটি চিত্রকর্মের খোঁজ পাওয়া যায়। কিন্তু ১৯৬৭ সালে মৃত্যু হওয়ার আগেও সেসবের বিষয়ে খুব বেশি কিছু জানিয়ে যাননি জাক জজার্ড।

ল্যুভর লেন্স ও ল্যুভর আবুধাবি

২০১২ সালে, ফ্রান্সে চিত্রসংগ্রহগুলো আরও সহজলভ্য করার জন্য প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে লোন নিয়ে উত্তর ফ্রান্সে ল্যুভর লেন্স (আর্ট মিউজিয়াম) খোলা হয়। আবুধাবিতে ল্যুভর উদ্বোধন করা হয় ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে। এখানেও রাখা আছে বিশ্বের বিখ্যাত অনেক আর্ট। যদিও প্যারিসের ল্যুভর এবং আবুধাবির ল্যুভরের মধ্যে সরাসরি কোনো অংশীদারত্ব নেই। মধ্যপ্রাচ্যেও যেন মিউজিয়াম দর্শনে দর্শনার্থীরা আগ্রহী হন, সেজন্য স্থাপিত হওয়ার পর আবুধাবি ও ফরাসি সরকারের মধ্যে এই নাম নিয়ে ৩০ বছরের একটি চুক্তি হয়। এই ভবনের নকশা করেছে জঁ নুভেল। স্বত্ব : দেশ রূপান্তর।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়