চাঁদপুর, সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯, ২৬ জিলকদ ১৪৪৩  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   রোটারী জেলায় চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের অভাবনীয় সাফল্য অর্জন
  •   বৃহৎ র‌্যালি আল-আমিন একাডেমি ও চেয়ারম্যান সেলিম খানের
  •   পদ্মা সেতুর থিম সং-এর গীতিকার কবির বকুলকে শিক্ষামন্ত্রীর অভিনন্দন
  •   হাইমচরে পানিতে ডুবে শিশুর করুণ মৃত্যু
  •   শনিবার চাঁদপুরে পাঁচজনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশ : ০১ মে ২০২২, ১১:৪২

কৃষি জমি নষ্ট করে রাতের অন্ধকারে ভেকু দিয়ে কাটা হচ্ছে মাটি

ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

গোলাম মোস্তফা
কৃষি জমি নষ্ট করে রাতের অন্ধকারে ভেকু দিয়ে কাটা হচ্ছে মাটি

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের গাছতলা এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী কৃষি জমি নষ্ট করে অবৈধভাবে ভেকু দিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ জমির মাটি কাটছেন স্থানীয় ইট, বালু ব্যবসায়ী ও মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী লিটন পাঠান।

২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পবিত্র লাইলাতুল কদর রাতে চাঁদপুর-রায়পুর সড়কের নিজ গাছতলা এলাকার মেরিন একাডেমীর পাশের নদীর পাড়ে ভেকু দিয়ে তিনি মাটি কাটেন ঐ ব্যবসায়ী।

কিন্তু গত ৯ মার্চ চাঁদপুর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ মোতাবেক তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল চৌধুরী।

জানা যায়, চাঁদপুর শহরতলীর নিজ গাছতলা এলাকার চাঁদপুর-রায়পুর ব্রিজের দক্ষিণ পশ্চিম পাশে অবস্থিত মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ লিটন পাঠান দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী স্থানে সরকারি খাস জমি কোন প্রকার লিজ না নিয়ে অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছেন। তিনি প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে সরকারিভাবে কোনো প্রকার অনুমোদন না নিয়ে অবৈধভাবে নদীর তীরবর্তী স্থানের সরকারি খাস জমি (ফসলী জমিতে) ভেকু লাগিয়ে মাটি কাটছেন। ওইস্থানে অবৈধভাবে দখল করে রাখা সরকারি খাস জমি এক দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতের অন্ধকারে যখন মানুষ নামাজে মগ্ন তখন তিনি অবৈধভাবে ভেকু দিয়ে মাটি কাটছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হেলাল চৌধুরী বলেন, বিষয়টি জেনেছি, তা দেখা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়