চাঁদপুর, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯, ১৩ রজব ১৪৪৪  |   ১৬ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সাথে এমপির মতবিনিময়
  •   খলিশাডুলীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
  •   জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জনের মৃত্যু
  •   আজ রোটারিয়ান মরহুম দেওয়ান আবুল খায়েরের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী
  •   ফরিদগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ আটক তিন

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০

হাজীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

হাজীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥

হাজীগঞ্জ উপজেলার কালচোঁ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামে স্ত্রী ফারহানা বেগম পান্নাকে (২৪) নির্যাতন ও পেটে লাথি মেরে হত্যার দায়ে স্বামী মোঃ শাহজাহান প্রধানকে (৪৩) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী এই রায় দেন।

হত্যার শিকার ফারহানা বেগম পান্না একই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির মোঃ আলী আকবর পাটওয়ারীর মেয়ে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শাহজাহান প্রধান ভাটরা গ্রামের প্রধানিয়া বাড়ির মৃত আব্দুস ছাত্তারের ছেলে। রায়ের সময়ে আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০০৫ সালে ফারহানা ও শাহজাহানের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসার জীবন ভালোই চলছিল। তাদের সংসারে মাহবুব (৩) নামে পুত্র ও মীম নামে দেড় বছর বয়সী কন্যা সন্তান রয়েছে। ঘটনার কিছুদিন পূর্ব থেকে শাহজাহান সৌদি আরব যাওয়ার জন্য স্ত্রীকে পিতার বাড়ি থেকে ৩ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেয়ার জন্যে চাপ প্রয়োগ করে। ২০০৯ সালের ৭ জুন বিকেলে নিজ বসতঘরে শাহজাহান আবারও যৌতুকের জন্য কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও তলপেটে লাথি মারে। তাৎক্ষণিক ফারহানা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহানার ভাই ফারুক আহম্মদ পাটওয়ারী বাদী হয়ে স্বামী শাহজাহান প্রধানকে প্রধান আসামী করে ৬ জনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ওই মামলাটি ২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের হয়। বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেন সিআইডি চাঁদপুরের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আলমগীরকে। তিনি তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৭ মার্চ শাহজাহানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

এ মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডঃ মোঃ সাইয়্যেদুল ইসলাম বাবু বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামীর উপস্থিতিতে আদালত এই রায় দেন। মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডঃ আবদুল মান্নান খান মহিন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়