চাঁদপুর, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯, ১২ রজব ১৪৪৪  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সাথে এমপির মতবিনিময়
  •   খলিশাডুলীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
  •   জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জনের মৃত্যু
  •   আজ রোটারিয়ান মরহুম দেওয়ান আবুল খায়েরের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী
  •   ফরিদগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ আটক তিন

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৭:৩৮

রাস্তায় চলাচল করায় মামলা

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি
রাস্তায় চলাচল করায় মামলা

ফরিদগঞ্জ পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নে রাস্তায় চলাচল নিয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন জহুরা বেগম! তিনি বলেন, তারা আমার উপর অত্যাচার নির্যাতন করেছে, তাই আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।

ঘটনাটি উপজেলার শাশিয়ালী গ্রামের রাঢ়ী বাড়িতে, ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, জহুরা বেগমের সাথে মামলার ১নং আসামি মকছুদ ও ২নং আসামি আঃ মালেক টেলুসহ কয়কজনের সাথে খুটিনাটি বিষয়ে জামেলা থাকে, সে জামেলাকে কেন্দ্র করে জহুরা বেগমের ঘরের পাস দিয়ে ৫০টি পরিবারের চলাচলের রাম্তা বন্ধ করে দেয় জহুরা বেগম। রাস্তা বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে ওই ৫০টি পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় গণ্যমান্যদের কাছে নালিশ দিলে তারা সমাধানের চেষ্টা করে, কিন্তু জহুরা বেগম সমাধানে রাজি হন না। পরবর্তিতে ইউপি সদস্য চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এদিকে জহুরা বেগম মোঃ মকছুদ পাটওয়ারীকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকী ও মামলার ভয় দেখানোর কথা জানালেন মোঃ মুকছুদ আলম। ৩। মোঃ মোস্তফা (২০) ৪। মোঃ হাছান রাঢ়ী (৩৫) ৫। মোঃ রহিম (২০) ৬। মোঃ রবিউল(২৫) ৭। মোঃ বাবুল (৩০) ৮। সাগর (৩০) ৯। সুরজ চৌধুরী (৫০) ১০। মোঃ বাচ্চু মিয়া (৫০) এদের মধ্যে অনেকেই জহুরা বেগমকে ছিনে না। কিন্তু জহুরা বেগম তাদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করেছেন।

ইউপি সদস্য মোঃ রিপনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, রাস্তার যে সমস্যাটি সে বিষয়ে আমি অনেক চেষ্টা করেছি, মহিলা যে বেড়াটা দিছে রাস্তার মধ্যে, এই রাস্তা দিয়ে ৪০/৫০ বছর চলাচল করে আসছে, আমি যদিও মনে করি রাস্তার দু'পাসের সম্পত্তি উনার, তার পরেও চলাচলের রাস্তা বন্ধ করতে পারে না। যদি উনি এমনিতে না দেয়, তাহলে উনি বিক্রি করলে সবাই এজমালি হিসেবে কিন্তে পারবে, কিন্তু উনি এটাও করবে না। আমি উনার কাছে প্রস্তাব নিয়ে গেছি, উনি আমার কথা বুঝতেই চায় না। আমি ইউপি সদস্য হিসেবে আমার কথা উনি কোন মূল্যায়নও করে না। এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৪০টি পরিবার বসবাস করে, তারা নিরুপায় হয়ে থানায় অভিযোগ করেছে, কিন্তু উনি পুলিশকেও পাত্তা দেয় না। আর, জহুরা বেগম যে মামলা দিয়েছে, তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, যাদেরকে আসামি করেছে তার উনার ঘরে বা সম্পত্তির উপর হামলা করে নাই, তাদের উপরো করে নাই। আমি সামাজিক সার্থে জনসাধারণের সার্থে জহুরা বেগমের দেওয়া বেড়া খুলে দিয়েছি।

এবিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এএসআই আমজাদ হোসেন বলেন, মোঃ মোকছুদ আলম নামে একজন অভিযোগ দিয়েছে, কিন্তু বিবাদী থানায় আসে নাই, উনারা কোর্টে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়