চাঁদপুর, রবিবার, ১৪ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৫ মহররম ১৪৪৪  |   ২৯ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   পাঁচ দফা জানাজা শেষে হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতির দাফন সম্পন্ন
  •   চোর-ডাকাত আতঙ্কে কচুয়াবাসী
  •   ২ লাখ টাকার বালু পরিবহনে কোটি টাকার কার্গো ডাকাতিয়ায় ডোবার উপক্রম!
  •   গরুর গুঁতোয় ২ মোটরসাইকেল আরোহী জখম
  •   চাঁদপুর মাছঘাটে কমে গেছে ইলিশের সরবরাহ

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২২, ১২:২০

পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যোগাযোগ প্রকল্প পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যার মধ্যে দিয়ে খুলে গেল দখিনা দুয়ার। শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে মাওয়া প্রান্তে টোল পরিশোধ শেষে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সাবেক সেতু সচিব মোশাররাফ হোসেন ভূঁইয়া। প্রধানমন্ত্রীর পেছনে ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে, হেলিকপ্টারে করে সেখানে আয়োজিত সুধী সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। সমাবেশে তিনি বক্তব্য দেন। সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা। উদ্বোধনের আগে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি মাওয়ায় স্থাপিত টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের পর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন শেষে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। পরে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল-২ এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। এরপর মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৫টায় হেলিকপ্টারে জাজিরা প্রান্ত থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

গত ২৪ মে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ অনুমোদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই দৃঢ় মনোবলের কারণে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী মূল সেতুর পাইলিং ও নদীশাসনের কাজ উদ্বোধন করেন। এরপর একে একে সব ধাপ পেরিয়ে পদ্মার বুকে গড়ে ওঠে স্বপ্নের সেতু। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মা সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এ সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত।

একইসঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে। চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেল লাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

নিজ হাতে টোল দিয়ে সেতুতে প্রধানমন্ত্রী

নিজ হাতে টোল পরিশোধ করে পদ্মা সেতুতে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজায় টোল পরিশোধ করেন তিনি। এরপর তিনি উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের জন্য উদ্বোধন মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান। এসময় তার সঙ্গে মেয়ে সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, শনিবার সকাল ১০টার দিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধনে আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে আমিও আজ আনন্দিত, গর্বিত ও উদ্বেলিত। অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে প্রমত্ত পদ্মার বুকে আজ বহু কাঙ্ক্ষিত সেতু দাঁড়িয়ে গেছে। এ সেতু শুধু ইট-সিমেন্ট-স্টিল-লোহা বা কংক্রিটের একটি অবকাঠামো নয়, এ সেতু আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব, আমাদের সক্ষমতা আর মর্যাদার প্রতীক। এ সেতু বাংলাদেশের জনগণের। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আবেগ, আমাদের সৃজনশীলতা, আমাদের সাহসিকতা, সহনশীলতা আর জেদ। সমাবেশ মঞ্চে শেখ হাসিনার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কা‌দের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ও পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম। সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা। সমাবেশে বক্তৃতা শেষে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন।

আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাবা-মায়ের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পর রিফিউজির মতো থাকতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করায় বাংলাদেশে আসতে পেরেছি। আমি মনে করি আমার বাবা-মায়ের আশীর্বাদের হাত সবসময় আমার মাথার ওপর আছে। আমার মতো একজন সাধারণ মানুষ এত কাজ করতে পারতাম না। শেখ হাসিনা বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে যারা আমাকে বার বার নির্বাচিত করেছেন। আমি একটা লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশে এসেছিলাম। বাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই আমার লক্ষ্য।

বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু শুধু একটি সেতুই নয়, এটা আমাদের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতীক। এটা আমাদের আবেগ, বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। পদ্মা সেতুর জন্য আমি গর্ববোধ করি।

দেশের কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে আমিও আজ আনন্দিত, গর্বিত ও উদ্বেলিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে প্রমত্ত পদ্মার বুকে আজ বহু কাঙ্ক্ষিত সেতু দাঁড়িয়ে গেছে। এ সেতু শুধু ইট-সিমেন্ট-স্টিল-লোহা বা কংক্রিটের একটি অবকাঠামো নয়, এ সেতু আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব, আমাদের সক্ষমতা আর মর্যাদার প্রতীক। এ সেতু বাংলাদেশের জনগণের। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আবেগ, আমাদের সৃজনশীলতা, আমাদের সাহসিকতা, সহনশীলতা আর জেদ। আমরা অপমানের প্রতিশোধ নিয়েছি

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবার, সাবেক উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও সচিবসহ পুরো বাঙালি জাতিকে যে অপবাদ ও অপমান করা হয়েছে, আজ সেতু নির্মাণ ও উদ্বোধনের মাধ্যমে অপমানের প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার (২৫ জুন) সকালে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন আমরাও পারি নিজের টাকায় করতে। প্রমাণ করেছেন নিজের টাকায় পদ্মা সেতু করে। মাথা নত করেননি। দুঃসময়ে কি চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, কি কঠিন সময়ে, দেশ-বিদেশের চক্রান্ত করা হয়েছে। সবকিছু অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন আমরা বীরের জাতি।

তিনি বলেন, একা নন প্রধানমন্ত্রী। শেখ রেহানার কি অপরাধ ছিল, জয়ের কি অপরাধ ছিল, পুতুলের কি অপরাধ ছিল, ববির কি অপরাধ ছিল? একটি পরিবারকে টার্গেট করে হেনস্তা করা হয়েছে, একটি পরিবারকে অপমান করা হয়েছে। শুধু পরিবার নয়, বাঙালি জাতিকে সেদিন অপবাদ দেওয়া হয়েছে এই সেতু প্রকল্প থেকে সরিয়ে, অপবাদ দেওয়া হয়েছে দুর্নীতির। আজ বঙ্গবন্ধু পরিবার, আমাদের সাবেক উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও সচিবসহ অনেককেই অপমান করা হয়েছে। আমি মনে করি বঙ্গবন্ধু কন্যা সক্ষমতার প্রতীক। তার চেয়ে বড় সত্য আজ আমরা অপমানের প্রতিশোধ নিয়েছি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা যদি না থাকতেন তাহলে এত প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে পারতাম না। এই সেতু নির্মাণের সঙ্গে আর কারও কৃতিত্ব নেই, একমাত্র কৃতিত্ব শেখ হাসিনার। সবার দাবি ছিল সেতুর নাম তার নামে করার, আমারও দাবি ছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা নাকচ করেছেন। আমি বলতে চাই— কাগজে লেখা ব্যানার ছিঁড়ে যাবে, পাথরে লেখা নাম ক্ষয়ে যাবে, হৃদয়ের লেখা নাম রয়ে যাবে। যতদিন পদ্মা সেতু থাকবে, ততদিন শেখ হাসিনার নাম সম্মানের সাথে উচ্চারিত হবে।

সেতুর জমকালো উদ্বোধন উপলক্ষে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাসহ মাওয়া প্রান্তে সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পদ্মার পাড় সেজেছে নতুন রূপে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের এ আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে।

এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাট এবং আশপাশের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা। সভাস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।

সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মা সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে। চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেল লাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর পাইলিং ও নদীশাসনের কাজ উদ্বোধন করেন। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হতে শুরু করে পদ্মা সেতুর কাঠামো। এরপর একে একে সব ধাপ পেরিয়ে পদ্মার বুকে ৪২টি পিলারের ওপর দৃশ্যমান হয়ে ওঠে স্বপ্নের সেতু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি ১.২ থেকে ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়