চাঁদপুর, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯, ২ জিলহজ ১৪৪৩  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুরের সাবেক এসপি কৃষ্ণ পদ রায় সিএমপির কমিশনার
  •   চাঁদপুরের রোটার‌্যাক্ট ক্লাবগুলোর জিরো আওয়ার সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম
  •   চাঁদপুর পৌরসভার অর্থায়নে একটা ব্লাড ব্যাংক করবো
  •   বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে
  •   রোটারিয়ানগণ সেবামূলক যে মহৎ কার্যক্রম করছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়

প্রকাশ : ২১ মে ২০২২, ২২:৪০

পারিশ্রমিক না দিয়ে হোটেল শ্রমিককে গরম তৈল দিয়ে জলসে দিয়েছে হোটেল মালিক

পারিশ্রমিক না দিয়ে  হোটেল শ্রমিককে  গরম তৈল দিয়ে জলসে দিয়েছে হোটেল মালিক
গোলাম মোস্তফা

চাঁদপুর শহরের বড়স্টেশন লঞ্চ ঘাটের বিআইডব্লিউটিএর কেন্টিন সুইটি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক আঃ মালেক বেপারীর হোটেল কর্মচারীর বকেয়া বেতন চাওয়ায় বেতন না দিয়ে উল্টো শ্রমিককে গরম তৈল দিয়ে শরীর জলসে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চাঁদপুর সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত এক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লঞ্চ ঘাটের সুইটি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে ও সুইটি ডেইরি ফার্মের কর্মচারী কর্মচারিকে কোয়েল হোসেন ও সাবিনা ইসলাম দম্পত্তি গত ৬ মাস ধরে মালেক বেপারীর মালিকানাধীন দুটি স্থানে চাকুরী করে। কিন্তু উক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিক মালেক বেপারী এই দম্পতির মাসিক বেতন ঠিক মতো দিতনা।

বেতনের পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মালেক বেপারীর ভাতিজি জামাই টিটু কুয়েল হোসেন ও সাবিনা ইসলাম দম্পত্তিকে বেশকিছু দিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসছে ।

এ ঘটনায় উক্ত হোটেল মালিক মালেক বেপারীর কাছে বিচার চাইলে তিনি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে কুয়েল হোসেন ও সাবিনা ইসলাম দম্পত্তির উপর গরম তেল ছুরে মারে। তাতে কুয়েল হোসেনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঝলসে যায়। এক পর্যায়ে গরম তৈলে আহত কুয়েল হোসেন চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হলে মালেক বেপারী প্রভাব খাটিয়ে আহত দম্পতিকে চাঁদপুর থেকে জোর পূর্বক বরিশালে পাঠিয়ে দেয়।

এ দিকে এ ঘটনায় কুয়েল হোসেন বাদী হয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

এ ব্যাপারে মালেক বেপারী বলেন, ৪/৫ মাস আগে তাদের কে আমার গরু ফার্মে গরু দেখাশুনার জন্যে নিয়োগ দিয়েছি। তাদের দু জনের মাসিক বেতন দেই ২০ হাজার টাকা। তাছাড়া থাকা খাওয়া সব আমার উপর। তাদের বিশ্বাস করে কাজে রেখে ছিলাম, কিন্তু তারা সেই বিশ্বাসের উপর তারা আঘাত করেছে, এজন্য মনের জিদে তৈল মেরেছি। কিন্তু সেটা গরম নয় তৈল নয়।

চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রশিদ বলেন, যদি মালিক পক্ষের কর্মচারি পছন্দ না হয় তাকে বাদ দিয়ে দিতে পারে। তাকে মারধর করতে পারে না। যে অভিযোগ আমরা পেয়েছি তাতে উল্লেখ্য রয়েছে কর্মচারির শরীরে গরম তেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়