চাঁদপুর, সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মহররম ১৪৪৪  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   মন্ত্রীদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে ‘ফুঁসছে’ আওয়ামী লীগ
  •   নিস্তেজ হচ্ছে ডলার, দর কমেছে প্রায় ৮ টাকা
  •   ১৪০০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ আটক ১
  •   ,হাইমচরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শিক্ষকের উপর হামলা
  •   ছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকা নিহত!

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২২, ১৮:৫৭

স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো

ফরিদগঞ্জে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে প্রাক্তণ স্বামীর ভাগ্নে ও প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন প্রেমিকা সীমা আক্তার। বুধবার (২৯জুন) উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ৯৯৯ সংবাদ পেয়ে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করে।

অনশনরত প্রেমিকা গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের চরমথুরা গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মেয়ে সীমা আক্তার জানান, উপজেলার ১০ নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দি গ্রামের বেপারী বাড়ির আনোয়ার হোসেন মানিক তার প্রাক্তণ প্রথম স্বামীর ভাগ্নে।

আনোয়ার হোসেন মানিকের মামা বিল্লাল হোসেনের সাথে আমার ২০০৯ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মানিক আমার বিভিন্নভাবে কৌশলে ছবি তুলে হয়রানি করার কারণে জোরপুর্বক মানিক তার সাথে সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আমাদের ৭ বছরের সংসার ভেঙ্গে যায়। পরবর্তীতে মানিক আমাকে বিয়ে করার কথা থাকলেও সে বিদেশে গিয়ে ৪ বছরেও ফিরে আসেনি।

পারিবারিক চাপে আমার দ্বিতীয় বিয়ে হয় রামপুর গ্রামের ঢাকায় বাসিন্দা এনামুল হকের সাথে। সেখানেও বিভিন্ন কায়দায় মানিক আমার ক্ষতিসাধন করা শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার দ্বিতীয় স্বামীর কাছে কান ভারি করে আমার দ্বিতীয় সংসারও ভেঙ্গে দেয়।

পরবতীতে মানিক বিদেশে থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে আমার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু বিদেশ থেকে এসে এখন সে আমাকে স্বামীর অধিকার দিচ্ছে না। বহু অপেক্ষা করেও অধিকার না পাওয়ায় স্ত্রীর অধিকার দাবিতে অনশন করছি। এই বিষয় আনোয়ার হোসেন সাথে ফোনে কথা বললে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

অনশনকালে আনোয়ার হোসেন মানিক ও তার পরিবারের কেউ বাড়িতে উপস্থিত ছিলো না। তারা আগেই ঘরের তালা বদ্ধ করে চলে যায়।

১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, বিষয়টি জেনেছি। স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) কর্মকর্তা প্রদীপ মন্ডল জানান, সীমা আক্তার ৯৯৯ কল করেছে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে আমরা স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদকে সুরাহা করার জন্য বলেছি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়