শুক্রবার, ০১ জুলাই, ২০২২  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই
  •   বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ১০ জুলাই
  •   ডাকাত সন্দেহে কোস্টগার্ডের হামলায় নিখোঁজ ১ : আহত ২
  •   হাজীগঞ্জে নবজাতকের লাশ উদ্ধার
  •   অধ্যাপক    কামরুজ্জামান সাহেবের স্মরণ সভা  ও মিলাদ

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২২, ০০:০০

মসজিদ বিষয়ে ইফা’র ক্ষমতায়ন চাই
অনলাইন ডেস্ক

আমাদের দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)-এর কার্যক্রমে পূর্বের চেয়ে অনেক ব্যাপকতা এসেছে। তারপরও আরো ব্যাপকতা প্রত্যাশিত বলেই মনে হচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে মসজিদ প্রতিষ্ঠা এবং মসজিদ কমিটি গঠনে অনিয়ম প্রতিরোধ ও এ কমিটিগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভূমিকা জোরদার করা যেনো এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

চাঁদপুরের পার্শ্ববর্তী জেলা নোয়াখালীর এক ইসলামী বক্তা মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ‘রাগের মসজিদ’, ‘গায়ের জোরের মসজিদ’সহ নানা উপায়ে মসজিদ গড়ার ভূমিকাকে তার বক্তব্যে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্যের বাস্তবতা খুঁজে পাওয়া যায় দেশের অনেক গ্রাম/শহরের পাড়া-মহল্লায়। এ বাস্তবতার আলোকে অপ্রয়োজনে মসজিদ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ঠেকাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে সরেজমিন তদন্তসাপেক্ষে মসজিদ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া কিংবা মসজিদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কমিটি গঠনে রূপরেখা দিয়ে থাকে এবং সে মতে কমিটি অনুমোদন করে থাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনও দেশে সকল মসজিদের কমিটি গঠনে অভিন্ন রূপরেখা প্রণয়ন এবং সেমতে গঠিত কমিটিকে অনুমোদনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হওয়া জরুরি বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

অতি সম্প্রতি শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের দহশ্রী পূর্বপাড়া জামে মসজিদে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। যে বিরোধহেতু এ সংঘর্ষ তার সমাধান করতে গিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য পর্যন্ত লাঞ্ছিত হয়েছেন। উক্ত মসজিদটি কোনো কমিটি ছাড়াই শুধুমাত্র কোষাধ্যক্ষ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে মুসল্লিদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিরোধ-এমনটিই জানা যায় চাঁদপুর কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদে।

আমরা অনেক ক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা সৃষ্টিতে একের পর এক সরকারি উদ্যোগ, আইন প্রণয়ন এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করছি। মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো জাতির পিতা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান দ্বারা মসজিদগুলো পরিচালনায় সুষ্ঠুতা তথা ধর্মপ্রাণ নামাজী মুসল্লিদের দিয়ে নির্দিষ্ট মেয়াদের কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা প্রবর্তন, মেয়াদশেষে কমিটি পুনর্গঠন, আয়-ব্যয়ের হিসাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, অপ্রয়োজনীয় মসজিদ প্রতিষ্ঠায় নিয়ন্ত্রণ আরোপসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে তদারকি করা অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে বলে আমরা মনে করি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়