চাঁদপুর, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯, ১২ রজব ১৪৪৪  |   ২৪ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সাথে এমপির মতবিনিময়
  •   খলিশাডুলীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
  •   জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জনের মৃত্যু
  •   আজ রোটারিয়ান মরহুম দেওয়ান আবুল খায়েরের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী
  •   ফরিদগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ আটক তিন

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০

হাসপাতালটির সেবা বাড়ছে, জনবল ও জায়গা বাড়বে তো?

হাসপাতালটির সেবা বাড়ছে, জনবল ও জায়গা বাড়বে তো?
অনলাইন ডেস্ক

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে গণমাধ্যমে প্রায়শই ইতিবাচক ও নেতিবাচক খবর প্রকাশিত হয়। কোনো কোনো খবরে এ হাসপাতালটির ক্রমশ এগিয়ে যাওয়া, সীমাবদ্ধতা ও সঙ্কটের বিষয়টি উঠে আসে এবং কোনো কোনো খবরে অনিয়মের বিষয় বেরিয়ে আসে। তবে এটা সত্য, হাসপাতালটি নেতিবাচকতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। গতকাল চাঁদপুর কণ্ঠে এ হাসপাতাল সংক্রান্ত যে খবর শীর্ষ খবর হয়েছে, তার শিরোনাম হচ্ছে ‘চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নতুন নতুন সেবা ইউনিট যুক্ত হচ্ছে ॥ সংস্কার হচ্ছে পুরানো ইউনিট’।

এ খবর থেকে জানা যায়, উক্ত হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় এনসিডি কর্নার নামে নতুন একটি ইউনিট খোলা হয়েছে, যেখানে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, অ্যাজমা, স্ট্রোক ও ক্যান্সারের চিকিৎসা ও পরামর্শ দেয়া হয়। এক মাস পূর্বে এই ইউনিটটি চালু করা হয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ এ ইউনিটের জন্যে পৃথক দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক রয়েছে। কার্ডিওলজি বিভাগের বিদ্যমান একটি ইউনিটকে নারী ও পুরুষের জন্যে পৃথক দুটি ইউনিটে রূপান্তর করা হচ্ছে, যেখানে নতুন সব মেশিনপত্র বসানো হবে। যে কোনো রোগীকে অপারেশন করার পর ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের জন্যে বিদ্যমান পোস্ট অপারেটিভ বিভাগকে আধুনিক সরঞ্জামে ও পৃথক জনবলে সমৃদ্ধ করা হয়েছে।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে যুগান্তকারী যে পরিবর্তন বা সংযোজন হতে যাচ্ছে, সেটি হচ্ছে ওয়ানস্টপ সার্ভিস বিভাগ। এই সেবা বা সার্ভিস চালু হলে এই হাসপাতালটি মানুষের আস্থার জায়গায় চলে আসবে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ একেএম মাহাবুবুর রহমান বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে উক্ত ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা যাবে বলে আশা করছি। এই বিভাগটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ইউনিট হিসেবে কার্যক্রম চালাবে। এর জনবলও থাকবে আলাদা। তিনি জানান, জনবল সঙ্কটে হাসপাতালের কিছু বিভাগ বা ইউনিট চালু করা যাচ্ছে না, আবার চালুকৃত ইউনিটগুলো পুরোপুরি সেবা দিতে পারছে না।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক না বললেও এই হাসপাতালের উল্লেখযোগ্য সঙ্কট হচ্ছে স্থান সঙ্কট। চাঁদপুর জেলার অধিকাংশ উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যে পরিমাণ জায়গায় অবস্থিত, উক্ত হাসপাতালটির অবস্থান তারচে’ কম জায়গায়। তারপরও এ হাসপাতালে চলছে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম। এ কলেজটিকে যতো দ্রুত নিজস্ব জায়গায় কিংবা অন্যত্র স্থানান্তর করা যাবে, ততো দ্রুত এ হাসপাতালের স্থান সঙ্কট নিরসন হবে। সাথে সাথে জনবল সঙ্কট নিরসনেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে আন্তরিক উদ্যোগ। আমাদের বিশ্বাস, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্ণধার হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি প্রাগুক্ত দুটি বিষয়ে তাঁর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করবেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়