চাঁদপুর, রবিবার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা
  •   ইভিএম’র ভুল ধরতে পারলে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার
  •   মতলব দক্ষিণে মাদক বিক্রিতে বাধা দেয়ায় ছেলেকে না পেয়ে বাবাকে মারধর
  •   ভুয়া বিচারপতি বিপ্লব এখন কারাগারে
  •   মতলব দক্ষিণে কীটনাশক খেয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৪০

কাঁচা কলার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক
কাঁচা কলার উপকারিতা

আমরা অবশ্যই পাকা কিংবা হলুদ রঙের কলা খেয়েছি, তবে আপনারা কি জানেন কাঁচা কলা সম্পর্কে। এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। বাজারে কাঁচা কলা সহজেই পাওয়া যায়। পাকা কলাতে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে তেমনি কাঁচা কলাতে ভিটামিন এবং খনিজের উপস্থিতি রয়েছে। এটি শরীরকে ফিট রাখে এবং সুস্বাস্থ্য করে এবং অনেক রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। কাঁচা কলায় রয়েছে অসংখ্য পুষ্টিকর উপাদান যেমন : ফাইবার, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি-৬, তামা ইত্যাদি রয়েছে যা শরীরকে স্বাস্থ্যকর রাখে

কাঁচা কলাগুলোর নিম্নলিখিত স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে

মাথা ব্যথা : কাঁচা কলা সেবন করলে মাথা ব্যথার সমস্যা কম হয়। এর পুষ্টি উপাদানগুলো মেজাজ পরিবর্তন করে এবং মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। কিছু গবেষণায় জানা গেছে, কাঁচা কলাতে প্রচুর পরিমাণে যৌগ থাকে যা ব্যথা কমায় এবং শিথিল করে।

হজমে উন্নতি : কাঁচা কলায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফাইবার হজমে উন্নতি করে। সিদ্ধ কাঁচা কলাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস পায়। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত আপনার ডায়েটে রাখা উচিত।

পেশী শক্তি : পেশী শক্তিশালী করতে কাঁচা কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। কাঁচাকলা পেশীর সমস্যা হ্রাস করে। পেশী শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এছাড়া সিদ্ধ কাঁচা কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। অনেকেরই মাংসপেশির সমস্যার হাত থেকে কাঁচা কলার বিকল্প নেই।

ডায়াবেটিক : রোগীর জন্য উপকারী কাঁচা কলা খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর পক্ষে খুব উপকারী। কাঁচা কলায় মিষ্টি হয় না এবং এটি রক্তে সুগারের পরিমাপ হ্রাস করে। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কমাতে খাবারের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হয়। অনেক গবেষণায় জানা যায়, ডায়াবেটিস আক্রান্ত যারা কাঁচা কলা সেবনের মাধ্যমে প্রচুর উপকৃত হয়।

ডায়রিয়ার উপশম : আপনার যদি ডায়রিয়ার সমস্যা হয় তবে কাঁচা কলা খাওয়া উচিত কারণ কাঁচা কলায় অ্যান্টি-ডায়েরিয়ার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কাঁচা কলা সিদ্ধ করে খান, এটি পেটের সংক্রমণ এবং ব্যাকটেরিয়াল ভাইরাস সংক্রমণকে রোধ করে। এছাড়া ডায়েরিয়ার কারণে ক্লান্তি এবং পেটের ব্যথার সমস্যা হ্রাস হয়।

কোলেস্টেরল হ্রাস : কাঁচা কলা খাওয়ার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়। যেহেতু কাঁচা কলাতে প্রচুর পরিমাণে অবশিষ্টাংশের স্টার্চ থাকে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং এর বাইরে রক্তে থাকা শর্করাকে হ্রাস করে সুগারও নিয়ন্ত্রণ করে।

উল্লেখ্য, কাঁচা কলার যেমন সুবিধা রয়েছে তেমনি কিছু অসুবিধাও রয়েছে : কাঁচা কলা বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ব্যথা হতে পারে, বুকে জ্বালা হতে পারে, অনেকেরই পেট খারাপ হয়, পেট ফলের সমস্যা হয় এবং পেটে কৃর্মি হতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়