চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   ড্রেজার ধ্বংস করাসহ মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
  •   শাহরাস্তিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন
  •   ফরিদগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ছাত্রলীগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী
  •   হাজীগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
  •   ভুয়া দুদক কর্মকর্তা সেজে চাঁদা দাবি

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২২, ১৮:২৯

ফরিদগঞ্জে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলী

ফরিদগঞ্জে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলী
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এর জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক আন্দোলেন অন্যতম পথিকৃৎ শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা তাসলিমুন নেছা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান জিএস তছলিম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র বীরমুক্তিযুদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান বলেন, বাঙালির জাতির জন্য যেই পরিবারটি নিচেদের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়েছে, তা হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার। সেই পরিবারের অন্যতম সদস্য জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র ক্যাপ্টেন শেখ কামাল। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। ক্রীড়াঙ্গণ, সংস্কৃতি অঙ্গনসহ সকল কিছুতেই তার বিচরণ ছিল দেখার মতো। আবাহনি, ঢাকা থিয়েটার এর মতো ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তার কথা বলে। কিন্তু ১৯৭৫ সালে ঘাতকরা তাতেও বাঁচতে দেয়নি। আজ তিনি বেঁচে থাকলে হয়তবা দেশের উন্ননে গুরুত্বপুর্ণ ভুুমকা রাখতেন। ঘাতকরা শুধু তাদের মেরেই ক্ষ্যান্ত হননি নানা অপবাদ দিয়েই শেখ কামালসহ পুরো পরিবারকে কলঙ্ক লেপন করার চেষ্টা করেছেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র যুদ্ধাহত বীমুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী বলেন, জাতির পিতার পরিবারের প্রতিটি সদস্য আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল ক্ষেত্রেই অবাত রেখেছেন। শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গণে ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। কিন্তু জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের এই প্রতিভায় ভীত হয়ে তাদের সমূলে শেষ করার জন্যই তারা ১৫ আগস্ট সৃষ্টি করেছে। কিন্তু জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা বেঁচে যাওয়ার কারণেই আজ আমরা একটি আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখতে পাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের উচিত স্বাধীনদা যুদ্ধ ও জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের কথা নতুন প্রজন্মকে সঠিক ভাবে জানানো। যাতে তারা শেখ কামালের মতো নির্ভিক ও সহাসী হতে পারে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা আশিক জামিল মাহমুদ, ওসি(তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সহিদুল উল্ল্যা তপদার, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাড. নাজমুন নাহার অনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী আবরার হোসেন, শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইব্রাহিম মিযা,মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার রুমাসহ প্রশাসনিক দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

এর আগে উপজেলা পরিষদের সামনে স্থাপিত শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন উপজেলা পরিষদ , উপজেলা প্রশাসনম ফরিদগঞ্জ পৌরসভা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রমুখ ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়