চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪  |   ২২ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু
  •   হাজীগঞ্জের কিউসি টাওয়ারে আগুন :  আহত ১০ 
  •   ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, শূন্যপদ ২৩০৯
  •   করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ
  •   চাঁদপুর শহরে বিদ্যুৎষ্পৃষ্টে এক যুবকের শরীর জ্বলসে গেছে

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০

হাইমচরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষ

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ আহত ৩

হাইমচরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষ
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি ॥

হাইমচর উপজেলায় ৪৯তম গ্রীষ্মকালীন মাধ্যামিক পর্যায়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ৩ জন আহত হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১২টায় হাইমচর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৪৯তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২২-এর ফুটবল খেলার ২য় দিনে বাজাপ্তি রমণী মোহন উচ্চ বিদ্যালয় বনাম আলগী বাজার আলিম সিনিয়র মাদ্রাসার ফুটবল খেলায় টাইব্রেকারের সময় দু'গ্রুপের মধ্যকার সংঘর্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ আহত হয় তিন জন। পরে হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার একে মীর হোসেন বলেন, বাজাপ্তী রমণী মোহন উচ্চ বিদ্যালয় ও আলগী বাজার সিনিয়র মাদ্রাসা এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে ১ জন শিক্ষক এবং ২ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী বলেন, যেই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, ঐ দুই প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলা চলমান থাকবে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আলগীবাজার আলিম সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জিল্লুর রহমান ফারুকী বলেন, এই খেলাটিতে প্রথম থেকেই অনিয়ম হয়ে আসছে। বাজাপ্তি রমণী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২জন খেলেছে। আমরা খেলার ভেতরেই রেফারী ও লাইন্সম্যানকে সেটি জানিয়েছি।

আহতরা বলেন, খেলার টাইব্রেকারের সময় বাজাপ্তি রমণী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের দর্শক-শিক্ষার্থীরা বাজে মন্তব্য করলে, একজন শিক্ষক বাজে কথা না বলতে অনুরোধ করলে তারা ওই শিক্ষকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ইটপাটকেল মারা শুরু করে। পরে ইউএনও স্যার ও পুলিশ এসে মারামারি নিয়ন্ত্রণ করে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়