চাঁদপুর, শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯, ২৪ জিলকদ ১৪৪৩  |   ৩২ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   পদ্মা সেতু : কোন খাতে কত ব্যয়
  •   স্বপ্নের পদ্মা সেতু : অসাধ্যকে সাধন করার মহাকাব্য
  •   বাবুরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামানের ইন্তেকাল
  •   পদ্মা সেতু উদ্বোধন উদ্‌যাপনে চাঁদপুরেও উৎসবের আমেজ
  •   আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ : স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২২, ০০:০০

২০ সেকেন্ডের পথ পার হতে ৩০ মিনিট!
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥

সামান্য কয়েক কদম পথ। পায়ে হেঁটে যেতে মাত্র ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড সময় লাগে। কিন্তু সে পথ ৩০ মিনিটেও পার হতে পারলেন না। তাও আবার গাড়িতে চড়ে। পায়ে হেঁটে যে পথ পার হতে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগে না, সে পথ গাড়িতে আসতে চোখের পলক সময় লাগার কথা। কিন্তু না। ৩০ মিনিটেও তা সম্ভব হয় নি। আর এই সম্ভব না হওয়ার কারণ হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা ও অটোবাইকের ভয়ানক জট এবং বিশৃঙ্খল অবস্থা। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি খোদ চাঁদপুর শহরে। তাও পৌর ভবনের একেবারেই কাছে। স্পটটি হলো পালবাজারের সামনে ব্রিজের গোড়া চৌরাস্তা চত্বর। এখানে অবস্থিত পৌর মার্কেটের সামনে থেকে পৌরসভায় ৩০ মিনিটেও আসা যায় নি। শেষ পর্যন্ত গাড়ি ব্রিজের উপর দিয়ে যেয়ে ব্রিজ পার হয়ে ইউ টার্ন করে ঘুরে পৌরসভায় এসেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে এমন দুর্বিষহ অবস্থায় পড়েন পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েলের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসা সাগর নামে এক ভদ্রলোক। তিনি এমন অসহনীয় অবস্থা এবং এই শহর চলাচলের একেবারেই অনুপযোগীর কথা ক্ষোভের সাথে বললেন।

সরজমিনেও তাই দেখা গেলো। লেডী প্রতিমা স্কুলের সামনে থেকে ব্রিজের গোড়ার পুরো চত্বরসহ পালবাজারের সামনে পর্যন্ত অসংখ্য সিএনজি অটোরিকশা এবং অটোবাইকের তীব্র জটের চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা। পা ফেলার জায়গা নেই। প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সময় এমন অসহনীয় অবস্থা ছিল। গাড়ি নড়াচড়া করার কোনো সুযোগ ছিল না। এ অবস্থার কারণে ব্রিজের মাঝ বরাবর এবং পূর্ব দিকে কালীবাড়ি পর্যন্ত অটোবাইক এবং সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন ছিল। প্রায় ৩০ মিনিটের মতো ছিলো এই অচলাবস্থা। আর এই সময়টাতে ব্রিজের চত্বর এলাকায় কোনো ট্রাফিক অথবা পৌরসভার কোনো কর্মী দেখা যায় নি।

এমন অবস্থা এখন চাঁদপুর শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে প্রায়ই দেখা যায়। শহরবাসীর প্রশ্ন-এমন দুর্বিষহ অবস্থার ভোগান্তি আর কতদিন মানুষকে ভোগ করতে হবে? প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা পৌর কর্তৃপক্ষ সবাই কি সিএনজি ও অটোবাইক চালকদের কাছে অসহায়? শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা স্পটে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া কি খুব কঠিন কাজ? এসব দেখার কি কেউ নেই?

জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়রের কাছে এমন অসহনীয় দুর্বিষহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আকুল আবেদন জানিয়েছে চাঁদপুরবাসী।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়