চাঁদপুর, সোমবার, ৮ আগস্ট ২০২২, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯, ৯ মহররম ১৪৪৪  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুরে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ
  •   গলায় ফাঁস লাগিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা
  •   জমি খারিজের নামে হাতিয়ে নিলেন বিপুল পরিমাণ টাকা
  •   কিশোর গ্যাং গড়ে উঠার আগেই নির্মূল করতে হবে : মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম
  •   ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা প্রতারকচক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২২, ০০:০০

চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার শাহজাহান চোকদার আর বেঁচে নেই

চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার শাহজাহান চোকদার আর বেঁচে নেই
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥

চাঁদপুরের পরিচিত মুখ, গুয়াখোলা রোডের বাসিন্দা শাহজাহান চোকদার আর বেঁচে নেই। গতকাল ২৭ জুন সোমবার বেলা আড়াইটায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও জিএস, চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক ছিলেন। তিনি চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদে গুয়াখোলাসহ পুরো শহরে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। মরহুমের জানাজার নামাজ রাত ৯টায় হাসান আলী হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

মৃত্যুকালে শাহজাহান চোকদারের বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী ও ৩ মেয়ে, ছোট ভাই ও এক বোনসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। তাঁর স্ত্রী নূরজাহান বেগম একজন নারী নেত্রী ও সাবেক শিক্ষিকা। তিনি কোড়ালিয়া পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন। তাঁর এক মেয়ে কানাডা ও এক মেয়ে ইতালী প্রবাসী এবং আরেকজন শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়র হাজী আব্দুল লতিফের পুত্রবধূ।

শাহজাহান চোকদারের বাবা ছিলেন আঃ আউয়াল চোকদার (বর্তমানে মরহুম)। তিনি তাঁর বাবার তিন পুত্র সন্তানের মধ্যে ছিলেন দ্বিতীয়। তাঁর বড় ভাই মরহুম ইউসুফ চোকদার ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। ভাইদের মধ্যে জীবিত আছেন ছোটভাই শাহ আলম চোকদার। তাঁর বড় বোনের স্বামী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম আঃ করিম বেপারী।

উল্লেখ্য, শাহজাহান চোকদার চাঁদপুর জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্বপালনের পর কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম ও দ্বিতীয় পুনর্মিলনী উৎসবের বলিষ্ঠ উদ্যোক্তা ছিলেন। তিনি আমরা ধূমপান নিবারণ করি (আধূনিক)-এর জেলা কমিটি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এছাড়া বহু সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়