চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪  |   ২২ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু
  •   হাজীগঞ্জের কিউসি টাওয়ারে আগুন :  আহত ১০ 
  •   ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, শূন্যপদ ২৩০৯
  •   করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ
  •   চাঁদপুর শহরে বিদ্যুৎষ্পৃষ্টে এক যুবকের শরীর জ্বলসে গেছে

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২২, ০০:০০

কচুয়ায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের স্থায়ী কার্যালয় শুভ উদ্বোধন

শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে দেশ একজন গরিববান্ধব নেতা পেতো : ------------------ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি

মহীউদ্দীন খান আলমগীর শুধু কচুয়ার নয়, তিনি সারা বাংলার উন্নয়নের রূপকার : গোলাম হোসেন

শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে দেশ একজন গরিববান্ধব নেতা পেতো : ------------------ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন/ মেহেদী হাসান ॥

কচুয়ায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের স্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৪ জুলাই রোববার বিকেলে উপজেলার ডুমুরিয়া বাজার এলাকায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের স্থায়ী কার্যালয়ের প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শেখ রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর মহৎ কোনো স্বপ্ন বা আকাঙ্ক্ষা ছিলো। বঙ্গবন্ধুর আশা ছিলো শেখ রাসেল বড় হয়ে একদিন জগৎখ্যাত মানুষ হবেন। শেখ রাসেলের ভুবন ছিলো তাঁর পিতাণ্ডমাতা। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বোন শেখ হাসিনা, শেখ রেহেনা এবং ভাই শেখ জামাল ও শেখ কামালকে ঘিরে। তাদের সবার ভালোবাসার আদরের ধন ছিলো ছোট্ট রাসেল। শেখ রাসেলের জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছে বাবা মুজিবকে ছাড়া। কারণ বাবা মুজিব রাজনৈতিক কারণে বন্দী হয়ে কারাগারে ছিলেন দিনের পর দিন।

তিনি আরো বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন বন্ধুবৎসল, গরিবদের জন্য ছিলো তাঁর দরদ, মমতা। জাতির পিতার গ্রামের বাড়ি টুঙ্গিপাড়াতে যখন সে যেত তখন গ্রামের ছেলেদের জন্য নতুন জামা নিয়ে যেতো। আজ তিনি বেঁচে থাকলে দেশ একজন গরিববান্ধব নেতা পেতো। আপনারা শেখ রাসেলের জীবনী অনুসরণ করে তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। আজ ডুমুরিয়ায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের স্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো এই এলাকার মানুষ শেখ রাসেলের আদর্শে অনুপ্রাণিত।

এম আলমগীর মজুমদারের সভাপতিত্বে ও শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মঞ্জুর এলাহী মজুমদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ গোলাম হোসেন। তিনি বলেন, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর একজন নক্ষত্র। নক্ষত্রের কাজ হলো আলো ছড়ানো। তাই তিনি সেই কাজ করে যাচ্ছেন। আপনারা মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে কচুয়ার উন্নয়নের রূপকার বলেন। আসলে মহীউদ্দীন খান আলমগীর শুধু কচুয়ার নয়, তিনি সারা বাংলার উন্নয়নের রূপকার। সারা বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি কাজ করেছেন। এখনো সেই কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ সালাম সওদাগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জিকে আলমগীর, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল প্রধান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাচ্ছেল খান, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী মোতালেব প্রমুখ।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা খানম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডঃ হেলাল উদ্দীন, কারুন্নাহার ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আকতার হোসেন সোহেল ভূঁইয়া ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি রাজীব আহমেদ রাজু, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ দুই সহস্রাধিক জনগণ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়