চাঁদপুর, রবিবার, ১৪ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৫ মহররম ১৪৪৪  |   ২৯ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   পাঁচ দফা জানাজা শেষে হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতির দাফন সম্পন্ন
  •   চোর-ডাকাত আতঙ্কে কচুয়াবাসী
  •   ২ লাখ টাকার বালু পরিবহনে কোটি টাকার কার্গো ডাকাতিয়ায় ডোবার উপক্রম!
  •   গরুর গুঁতোয় ২ মোটরসাইকেল আরোহী জখম
  •   চাঁদপুর মাছঘাটে কমে গেছে ইলিশের সরবরাহ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২২, ০০:০০

শেখ কামাল বেঁচে থাকলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো ॥

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ আগস্ট শুক্রবার সকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম রোমান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমুননেছার সভাপতিত্বে ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিএস তছলিমের পরিচালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান বলেন, বাঙালি জাতির জন্যে যে পরিবারটি নিজেদের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়েছে, সেটি হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার। সেই পরিবারের অন্যতম সদস্য জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। ক্রীড়াঙ্গন, সংস্কৃৃতি অঙ্গনসহ সকল কিছুতেই তাঁর বিচরণ ছিলো দেখার মতো। আবাহনী, ঢাকা থিয়েটারের মতো ক্রীড়া ও সাংস্কৃৃতিক সংগঠনগুলো তাঁর কথা এখনো বলে। ১৯৭৫ সালে ঘাতকরা তাকেও বাঁচতে দেয়নি। আজ তিনি বেঁচে থাকলে হয়তবা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। ঘাতকরা শুধু তাঁদের মেরেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, নানা অপবাদ দিয়ে শেখ কামালসহ পুরো পরিবারকে কলঙ্ক লেপন করার চেষ্টা করেছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী বলেন, জাতির পিতার পরিবারের প্রতিটি সদস্য আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল ক্ষেত্রেই অবদান রেখেছেন। শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গণ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। কিন্তু জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের এই প্রতিভায় ভীত হয়ে তাঁদের সমূলে শেষ করার জন্যেই তারা ১৫ আগস্ট সৃষ্টি করেছে। আল্লাহর রহমতে জাতির পিতার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা বেঁচে যাওয়ার কারণেই আজ আমরা একটি আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখতে পাচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের উচিত স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের কথা নতুন প্রজন্মকে সঠিকভাবে জানানো। যাতে তারা শেখ কামালের মতো নির্ভিক ও সহসী হতে পারে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি কর্মকর্তা আশিক জামিল মাহমুদ, ওসি (তদন্ত) প্রদীপ মণ্ডল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সহিদুল্লাহ তপাদার, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ নাজমুন নাহার অনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী আবরার হোসেন, শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইব্রাহিম মিয়া, মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার রুমাসহ প্রশাসনিক দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

এর আগে উপজেলা পরিষদের সামনে স্থাপিত শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন ফরিদগঞ্জ পৌরসভা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়