চাঁদপুর, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯, ২৯ সফর ১৪৪৪  |   ৩২ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ চেয়ারম্যানের প্রার্থিতা প্রত্যাহার
  •   হাইমচরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিঁঁখোজ
  •   চাঁদপুরে চুরি হওয়া ৪২ মোবাইল উদ্ধার
  •   ফরিদগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
  •   টাকার বিনিময়ে নকল সরবরাহ করেন শিক্ষকরা!

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০

আগামী প্রজন্মকে নির্মাণে এ ধরনের অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গত ১৭ আগস্ট বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখা কর্তৃক বিকেল ৫টায় চাঁদপুর রোটারী ভবনে ‘কথা, কবিতা ও গানে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি মুক্তা পীযূষের সভাপ্রধানে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন ত্রিপুরার সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক ছিলেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ। আরো আলোচনা করেন পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার এবং সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাত। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তপন সরকার। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন বিশ্বাস।

সংগঠনের অন্যতম উপদেষ্টা ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্যে প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পীযূষ কান্তি রায় চৌধুরীকে স্মরণ করেন এবং আবৃত্তির সাথে বঙ্গবন্ধুর ওতপ্রোত সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেন। প্রধান উপদেষ্টা কাজী শাহাদাত বঙ্গবন্ধু ও বাংলা ভাষার সম্পর্ক বিষয়ে আলোকপাত করে ভারতের খ্যাতিমান কথা সাহিত্যিক আবুল বাশারের উক্তি তুলে ধরেন। অধ্যাপক রতন কুমার মজুমদার বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস নিয়ে আলোকপাত করেন।

প্রধান আলোচক অধ্যাপক অসিত বরণ দাশ বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের কথা, কবিতা ও গানে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণের মতো অনুষ্ঠানগুলোকে আরো বেশি বেশি করে ছড়িয়ে দেয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। আগামী প্রজন্মকে নির্মাণে এ ধরনের অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর দীর্ঘ একুশ বছর ধরে তাঁর নামও মুখে আনতে দেয়নি হত্যাকাণ্ডের কুশীলবরা। তাই মাঝখানের বেশ ক’টি প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে সঠিকভাবে জানার সুযোগ পায়নি। এ কারণেই বঙ্গবন্ধুকে আরো বেশি বেশি করে এ ধরনের চর্চার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সভাপ্রধান মুক্তা পীযূষের বক্তব্যের পর রেলওয়ে শিশু বিদ্যালয়ের শিশুদের মাঝে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপে মোট ছয়জন প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হয়। আলোচনার পূর্বে পরিবেশিত আবৃত্তি ও গানে অংশ নেন সংগঠনের শিল্পী অনন্যা দাস, অরিন রায়, আবৃত্তি দাস, আসমা আক্তার, ওমর ইসরাত প্রীতি, ওমর নুসরাত ঝুড়ি, তনুশ্রী দাস, শুভশ্রী দাস, সুমাইয়া আক্তার, আফসানা তন্বী, সাদ্দাম হোসেন, নিলয় দাস, গৌরি চন্দ, প্রথমা নন্দী, পুনম নন্দী, ফাতেমা তুজ জোহরা, তাসফিয়া ফাহমী, কৃপা দাস, প্রখর পীযূষ ও প্রত্ন পীযূষ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়