চাঁদপুর, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯, ১২ রজব ১৪৪৪  |   ২৫ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সাথে এমপির মতবিনিময়
  •   খলিশাডুলীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
  •   জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জনের মৃত্যু
  •   আজ রোটারিয়ান মরহুম দেওয়ান আবুল খায়েরের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী
  •   ফরিদগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ আটক তিন

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০

রফিক ভূঁইয়া সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল ও সার্থক হোক-এমন কামনা করেছেন ভয়াল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত ও সাবেক ত্যাগী নেতা বীর মুক্তিযাদ্ধো রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। তার আত্মীয়স্বজন সবাই আওয়ামী পরিবার। রফিক ভূঁইয়ার ছোট ভাই মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া প্রায় দেড় যুগ চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চাঁদপুর জেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মালেক ভূঁইয়া (মামা), চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইঞ্জিঃ রব ভূঁইয়া (ছোট মামা), বড় ভাই চাঁদপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার সফিকুর রহমান দুলাল ভূঁইয়া, ছোট ভাই মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া, আরেক ছোট ভাই অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, দলিলুর রহমান ভূঁইয়া চাঁদপুর জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, তার মামাতো ভাই চাঁদপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, মামাতো ভাই চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া ও চাঁদপুর শহর যুবলীগ নেতা কামরুল হাসান টিটুসহ অসংখ্য নেতা-কর্মী তার পরিবারে ও আত্মীয় স্বজনের মধ্যে রয়েছে।

রফিক ভূঁইয়া ১৯৭০ সালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকার উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে তিনি জড়িত রয়েছেন। তিনি বলেন, আমার পরিবারবর্গ ও আত্মীয়-স্বজন সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত। আগামী ৫ ডিসেম্বর চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আমি সভাপতি পদপ্রার্থী। আমি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

রফিক ভূঁইয়ার সংক্ষিপ্ত কিছু কথা : বিগত জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও গুলি করা হয়। এতে শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। গুরুতর আহত হন প্রায় ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী। ২১ আগস্ট ভয়াল দুঃস্বপ্নের দিন। সেই আমি রফিক ভূঁইয়া সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং গ্রেনেড হামলার শিকার হই। সেই গ্রেনেড বহন করে আজও বেঁচে আছি। সেই দিন হতে পারতো আমার জীবনের শেষ দিন। আমি বেঁচে আছি বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদের্শের রাজনীতি নিয়ে। জীবনভর শেখ হাসিনার আদর্শের রাজনীতি করে যাবো। আওয়ামী লীগ চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদণ্ডপ্রার্থী আমি রফিক ভূঁইয়া। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। ১৯৭০ সালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি হাই স্কুলের ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮২-১৯৮৬ সালে চাঁদপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি, ১৯৮৭-১৯৯২ সালে চাঁদপুর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক, ১৯৮৭-১৯৯২ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক, চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য, ২০০৬-২০১৬ সালে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। এছাড়া ১৩৪নং চরফতেজংপুর সপ্রাবির জমিদাতা ও সভাপতি ১১নং ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন। ১৯৯১ সালে এবং ২০০১-২০০৫ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আমি অসংখ্য মামলার আসামী ছিলাম।

উল্লেখ্য, ত্যাগী এই নেতা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত হয়ে এখনও বাম পায়ে দুটি স্পিøন্টার বহন করে চলছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পরে ২০২১ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক কল্যাণ তহবিল থেকে মানবিক চিকিৎসা বাবদ ৫ লাখ টাকার অনুদান দেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়