চাঁদপুর, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯, ১১ রজব ১৪৪৪  |   ১৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   কচুয়ায় রিয়া হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
  •   কোস্টগার্ডের অভিযানে চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে ১৩শ’ কেজি জাটকা জব্দ
  •   ডাঃ সাজেদা পলিন নড়াইলের সিভিল সার্জন
  •   মতলবের আনন্দবাজারে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকান পুড়ে ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি
  •   ভাষার মাসের প্রথমদিনে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০

এখন গাড়ির জন্য ফেরি থাকে অপেক্ষায়
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সুবিধা ও ব্যস্ততম রুট হিসেবে পরিচিত চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি রুটটিতে বর্তমানে মাত্রাতিরিক্তভাবে যানবাহন কমে গেছে। বেকার হয়ে গেছেন অসংখ্য শ্রমজীবী। বন্ধ হতে চলেছে চাঁদপুরের হরিণা ও শরীয়তপুরের নরসিংহপুর ফেরিঘাট কেন্দ্রিক বিভিন্ন দোকান, খাবার হোটেল রেস্টুরেন্টসহ প্রায় দুই শতাধিক নানা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। দুই ফেরিঘাটে এখন আর নেই আগের মত হকার ও শ্রমিকদের হাঁক-ডাক ও যাত্রীদের কোলাহল। শরীয়তপুর অংশের বেহালকৃত প্রায় ৩০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার না করা ও পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় সেইপথে যাতায়াত সুবিধার করণে এই রুটে যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে। অথচ একসময় চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরিঘাটে দীর্ঘ লাইনে যানবাহন পার হওয়ার জন্যে দুই পাড়ে অপেক্ষা করতে হতো শত শত যানবাহন। যার ফলে রাজস্ব আদায় অর্ধেকেরও নিচে নেমে গেছে এবং এর প্রভাব পড়েছে ঘাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের ওপর।

হরিণা ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা। পার্কিং ইয়ার্ড ফাঁকা। পার হওয়ার জন্য অপেক্ষমান গাড়ির সংখ্যা খুবই কম। চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জেলা থেকে আসা ছোট-বড় পরিবহন ও মালবাহী ট্রাক ঘাটে এসেই উঠে যাচ্ছে ফেরিতে। হরিণা ঘাট সূত্রে জানা যায়, ফেরি সংখ্যা এখন ৭টি। ৩টি ফেরি প্রতিদিন চলে এবং ৪টি বন্ধ থাকে। কস্তুরি, কুমারি ও কামিনি নামে তিনটি ফেরি একদিন পরপর চলে।

ঘাট ঘুরে দেখা যায়, এখন অনেকটাই অরক্ষিত পার্কিং ইয়ার্ড। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর মাওয়া ফেরি ঘাট থেকে এখানে কয়েকটি ফেরি এসেছে নতুন করে।

কাকলী নামে ফেরির মাস্টার মোঃ আজিজ জানান, গাড়ির সংখ্যা শুধুমাত্র চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরিঘাটেই কম তা নয়, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার কারণে বেশ ক’টি ঘাটের যানবাহন সংখ্যা কমেছে। এতে কোনো সমস্যা নেই। কারণ পদ্মাসেতু চালু হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমেছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে যেতে পারছেন। দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ পদ্মা সেতুর সুবিধা ভোগ করছেন।

বিআইডব্লিউটিএর চাঁদপুরের ব্যবস্থাপক ফয়সাল আলম চৌধুরী জানান, এ রুটে যানবাহন চলাচল প্রায় আশি ভাগ কমে গেছে। বাস চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। গড়ে প্রতিদিন ২-৩টি যাত্রীবাহী বাস চলে। ২/৩ ঘন্টা পর ফেরি চলাচল করে থাকে বলে তিনি জানান। আগে প্রতিদিন ফেরিতে পার হওয়া যানবাহন থেকে যে পরিমাণ ভাড়া আদায় হতো তা এখন এক তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে বলে ঘাট ইজারাদার সূত্রে জানা গেছে।

শরীয়তপুরের অংশে সড়কের সংস্কার করলে এই রুটে যানবাহন চলাচল ও যাত্রীদের পদচারণায় ফেরিঘাট দুটি ব্যস্ত হয়ে ওঠবে বলে জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়