সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ৯ কার্তিক ১৪২৮, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন, দামে অসন্তুষ্ট কৃষক : সবজি ক্ষেতে সবুজ হাসি থাকলেও কৃষকের মুখ ম্লান
  •   অশুভ শক্তি শক্তিশালী হলেও জয়ি হতে পারবে না : শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০

একশ’ গজ সড়কের দুঃখ দূর হবে কবে?
প্রবীর চক্রবর্তী ॥

সড়কটি লম্বায় সর্বোচ্চ একশ’ গজ হবে। কিন্তু এই একশ’ গজের দুরবস্থার কারণে মানুষ অপূরণীয় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। সড়কটির অবস্থান ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরের পূর্ববাজারের কেরোয়া সড়কের মুখ থেকে কেরোয়া ব্রীজ পর্যন্ত। বৃষ্টি হলেই সড়কটিতে পানি জমে। দোকানে পানি ঢুকে পড়ে। একই সাথে প্রতিদিনের চিত্র যানজট। সর্বশেষ কয়েক মাস পূর্বে সড়কের পাশ দিয়ে ৩৪টি পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ড্রেন নির্মাণ শুরু করায় আরো দুরবস্থার সৃষ্টি হয়। রাস্তার একপাশ খালে পরিণত হয়। নির্মাণ কাজ চলাকালে নির্মাণ ত্রুটি নিয়ে আপত্তি উঠায় বেশ কয়েকদফা কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরো দুর্ভোগ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ড্রেনের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও রাস্তার অবস্থা শোচনীয় হয়ে দাঁড়ায়। এবড়োথেবড়ো রাস্তায় গত ক’দিনের বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত রাস্তায় নাজেহাল হতে হচ্ছে চলাচলকারী লোকজনকে। অথচ এই সড়কটি চান্দ্রা বাজার ও কামতা বাজারসহ পূর্বাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।

সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করা স্কুল শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, স্কুলগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষকে এই অল্প একটু রাস্তার জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বেশ ক’জন ব্যবসায়ী বলেন, ফরিদগঞ্জ পূর্ব বাজারে যানজটের কারণ এই সরু রাস্তা। মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে যুক্ত হয়েছে সড়কের এবড়োথেবড়ো অবস্থা। পৌর কর্তৃপক্ষ ড্রেন নির্মাণকালে সড়কের উত্তর পাশের অংশের দোকানগুলোকে তিনফুট ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে। এতে সাড়া দিয়ে বেশ ক’জন তাদের ভবনের একাংশ ভেঙ্গে দেয়। এখন প্রয়োজন সড়কের দক্ষিণ অংশের তিন ফুট করে ভাঙ্গা। তাতে সড়কটি চওড়া হবে। একই সাথে দ্রুত গতিতে সড়কের কাজ সম্পন্ন করা।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ বাজারের থানার মোড় থেকে উত্তর গলি হয়ে কেরোয়া বীজ পর্যন্ত সড়কটি আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য টেন্ডার দেয়া হয়েছে। ঠিকাদার আলমগীর মোল্লা কার্যাদেশ পেলেও ড্রেন নির্মাণের জন্যে এতদিন অপেক্ষা করেছেন।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার আলমগীর মোল্লা জানান, আমি কার্যাদেশ পেলেও ড্রেন র্নিমাণ কাজ শেষের জন্য অপেক্ষা করছি। কারণ রাস্তা নির্মাণ করলে ড্রেনের জন্যে তা আবার নষ্ট হবে। এখনো দুটি ক্রস ড্রেন নির্মাণ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলে আমি দ্রুত কাজ শেষ করে ফেলবো।

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার সচিব একেএম খোরশেদ আলম জানান, সড়কটির দুর্দশার কথা জ্ঞাত রয়েছি। আশা করছি দ্রুত ঠিকাদার কাজ শুরু করবেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়