চাঁদপুর, সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মহররম ১৪৪৪  |   ৩১ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   মন্ত্রীদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে ‘ফুঁসছে’ আওয়ামী লীগ
  •   নিস্তেজ হচ্ছে ডলার, দর কমেছে প্রায় ৮ টাকা
  •   ১৪০০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ আটক ১
  •   ,হাইমচরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শিক্ষকের উপর হামলা
  •   ছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকা নিহত!

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২১, ০০:০০

ঘরে ঘরে উপসর্গ ॥ সচেতন হওয়ার পরামর্শ
মঈনুল ইসলাম কাজল ॥

করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে শাহরাস্তিতে করোনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণ। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। বেপরোয়া গতিতে বাড়ছে শনাক্তের হার। ইতিমধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তাঁর পরিবারের সদস্য, উপজেলা আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তাসহ বেশ ক’জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিক লীগ নেতা।

শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত উপজেলায় করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ হাজার ৮শ’ ৪৭ জনের। এদের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ৭শ’ ২৬ জন। হাসপাতাল হিসেবে এ উপজেলায় ১৪ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। কিন্তু অনত্র মারা যাওয়াদের রিপোর্ট না থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা সঠিকভাবে বলা কঠিন হয়ে পড়েছে।

শনাক্তের অধিকাংশই গত ১ মাসের মধ্যে। গত ১২ জুলাই নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৩৭ জনের, এদের মধ্যে ১৭ জন শনাক্ত হয়। ১৩ জুলাই ৩৮ জনের মধ্যে ২৭ জন, ১৪ জুলাই ৪২ জনের মধ্যে ২০ জন, ১৫ জুলাই ৪৬ জনের মধ্যে ২৯ জন, ১৭ জুলাই ৫০ জনের মধ্যে ২৭ জন, ১৮ জুলাই ৪৮ জনের মধ্যে ২৮ জন ও ১৯ জনের ২৩ জন রোগী শনাক্ত হয়। শাহরাস্তি উপজেলায় বর্তমানে পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬০ ভাগের উপরে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্মা ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত রোগীর জন্যে ২৪টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানে বর্তমানে ৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তিনি জানান, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ অচিন্ত ও কয়েকজন নার্স চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে না বলে তিনি জানান। এজন্যে তিনি বলেন, সচেতন হওয়া ছাড়া উপায় নেই। সামজিক দূরত্ব বাজায় রাখা, মাস্ক পরা ও জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, শাহরাস্তি পৌর এলাকায় রোগীর সংখ্যা বেশি। এছাড়াও ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বরে ভুগছেন অনেকেই। ভয় ও আতঙ্কের কারণে অনেকেই পরীক্ষা দিতে হাসপাতালে আসছেন না। শাহরাস্তির বিভিন্ন স্থানে করোনা রোগীরা ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে করোনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়