চাঁদপুর, সোমবার, ৮ আগস্ট ২০২২, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯, ৯ মহররম ১৪৪৪  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুরে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ
  •   গলায় ফাঁস লাগিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা
  •   জমি খারিজের নামে হাতিয়ে নিলেন বিপুল পরিমাণ টাকা
  •   কিশোর গ্যাং গড়ে উঠার আগেই নির্মূল করতে হবে : মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম
  •   ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা প্রতারকচক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২২, ০০:০০

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাঝপথেই ওনারা মাঠ ত্যাগ করলেন

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাঝপথেই ওনারা মাঠ ত্যাগ করলেন
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানের পুরো সময়টা ছিলেন না জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ওনারা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাঝপথে মাঠ ত্যাগ করেছেন। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের এক প্রান্তের অনুষ্ঠানের পুরো সময়ও ওনারা ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ শেষেই ওনারা উঠে চলে যান। বিষয়টি অনেকেরই দৃষ্টিতে আসে। এ ঘটনা ২৫ জুন শনিবার চাঁদপুর স্টেডিয়ামে।

এদিন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চাঁদপুর স্টেডিয়ামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি। প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মশিউর রহমান। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালও ছিলেন। অনুষ্ঠানের ব্যানারে তাঁদের নামও ছিল। অনুষ্ঠানের শুরু থেকেই প্রধান অতিথি, প্রধান আলোচকসহ বিশেষ অতিথিরা সামনের সারিতে নিজ নিজ নির্দিষ্ট আসনে বসা ছিলেন। দেখা গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল উঠে চলে যান। তাঁদের সাথে তাঁদের কিছু অনুসারীও চলে যান। অথচ তখনও অনুষ্ঠানের প্রায় অর্ধেক অংশ বাকি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রথম অংশ ছিল মাওয়া প্রান্তের। এই প্রান্তের পুরো অনুষ্ঠানেও জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না। এমনকি মুনাজাতের সময়ও উপস্থিত ছিলেন না। মাওয়া প্রান্তের অনুষ্ঠানের পর হয়েছে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের অনুষ্ঠান। এ অংশের পুরোটাতেই তাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁদের এই চলে যাওয়া এবং অনুপস্থিত থাকাটাকে দলের নেতা-কর্মীরা ভালোভাবে নেননি। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে হলেও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পুরো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাটা উচিত ছিল বলে মনে করেন দলেন নেতা-কর্মীসহ সাধারণ জনগণ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়