শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   ড্রেজার ধ্বংস করাসহ মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
  •   শাহরাস্তিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন
  •   ফরিদগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ছাত্রলীগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী
  •   হাজীগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
  •   ভুয়া দুদক কর্মকর্তা সেজে চাঁদা দাবি

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২২, ০০:০০

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন
মাহবুব আলম লাভলু ॥

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ২০২২ সাল হবে বাংলাদেশের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের এক মাইলফলক বছর। অনেক ষড়যন্ত্রের জাল আর প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে গত ২৫ জুন আমরা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করতে সক্ষম হয়েছি। এই সেতু উদ্বোধনের ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলা সরাসরি রাজধানীসহ অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরপরই মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো মেগা প্রজেক্টগুলো এই বছর চালু হতে যাচ্ছে। সোমবার ৪ জুলাই দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলা সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, মতলব উত্তরের ৪ লক্ষাধিক বাসিন্দার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পকে টেকসই ও আধুনিকভাবে গড়ে তুলতে হবে। মতলব-গজারিয়া সেতু নির্মাণের মাধ্যমে মতলব তথা চাঁদপুরের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানীর দূরত্ব কমিয়ে আনতে হবে। আর এই সেতু বাস্তবায়নের মাধ্যমে মতলবে শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহফুজ মিয়ার সঞ্চালনায় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ আমাদের আত্মপ্রত্যয়ের প্রতীক। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর পরই মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো মেগা প্রজেক্টগুলো এই বছরই চালু হতে যাচ্ছে।

মতলব উত্তর উপজেলায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের তহবিল থেকে অনুদান হিসাবে মোট ৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১২ জন দরিদ্র ব্যক্তিকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার আর ১৬ টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

চেক বিতরণ পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র এএসপি (মতলব সার্কেল) ইয়াছির আরাফাত, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেদায়েত উল্যাহ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন খান সুফল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিনা আক্তার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান জহির, অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাজাহান কামাল, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ, ষাটনল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদাউস আলম সরকার প্রধান শিক্ষক খায়ের উদ্দীন প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়