সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জের পৃথক দুটি তদন্ত চলছে : পরিস্থিতি স্বাভাবিক : ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০

করোনায় বন্ধ হয়ে গেছে আল-আমিন মডেল একাডেমি
কামরুজ্জামান টুটুল ॥

করোনার ছোঁয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে হাজীগঞ্জের বাকিলার আল-আমিন মডেল একাডেমি। শিক্ষার্থী সঙ্কট, শিক্ষকদের বেতন নিয়মিত রাখা, ভবন ভাড়ার সাথে সমন্বয় করতে না পারার কারণে প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় মালিক পক্ষ। স্কুল মালিক পক্ষের কমপক্ষে দুজন মালিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১১ সালে হাজীগঞ্জের বাকিলা বাজারে ১ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাসের অনুমতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। এর মধ্যে সরকারি বৃত্তিসহ পিইসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের কারণে এলাকায় সুনাম সৃষ্টি করেছে বিদ্যালয়টি।

প্রতিষ্ঠানের সদ্য বিদায়ী অধ্যক্ষ আরাফাত হোসেন মিয়াজী চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, করোনার কারণে বিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পরে পোল্ট্রি খামারের ব্যবসা শুরু করি। কিছুদিন আগে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় চাকুরি নিয়েছি।

অপর এক প্রশ্নে আরাফাত হোসেন মিয়াজী বলেন, প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় ৭ জন শিক্ষক আর ৪৫ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। শিক্ষার্থীদের বাকিলা বাজারের অন্য কিন্ডারগার্টেনে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেয়া হয়েছে। শিক্ষকদের মধ্যে ১ জনকে বাকিলা বাজারের অন্য একটি কেজি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের কথা চলমান রয়েছে, বাকি শিক্ষকদের বিষয়ে আমরা জানি না।

স্থানীয় সন্না গ্রামের বাসিন্দা ও উক্ত বিদ্যালয়ের অভিভাবক যার নামের আদ্যক্ষর ‘এস’। তিনি জানান, তারা স্কুল বন্ধ করে দিয়েছেন সেটা আমাদেরকে জানানো হয়নি। অন্য অভিভাবকদের কাছ থেকে শুনে আমার বাচ্চাকে বাকিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে ভর্তি করাই।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মালিকদের একজন বাকিলা বাজারের ব্যবসায়ী আবুল ফারাহ জানান, প্রায় দেড় বছর লস দিতে গিয়ে এখন আমরা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছি।

প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম মালিক ও উচ্চঙ্গাঁ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবু তাহের চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, করোনার কারণে শিক্ষকদের বেতন দিয়ে প্রতিষ্ঠান ধরে রাখা সম্ভব ছিলো না। এছাড়া যে ভবন ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চলমান ছিলো সে ভবনের মালিক অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ায় বিদ্যালয় চালু রাখা সম্ভব হয়নি।

করোনার ধকলে হাজীগঞ্জের ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে তা জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাইদ চৌধুরী মুঠোফোনে জানান, কেজি স্কুলগুলো বন্ধের বিষয়ে ক্যাচমেন্টভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ আমাদেরকে তালিকা দেবেন। এরপরেই আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

অপর এক প্রশ্নে এ কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যালয়গুলো ফেব্রুয়ারি মাসেই পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের বইয়ের চাহিদা দিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদ্যালয়গুলোর বিষয়ে জেনে তাদের বই দেয়া বন্ধ রাখা হবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়