সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জের পৃথক দুটি তদন্ত চলছে : পরিস্থিতি স্বাভাবিক : ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০

ফরিদগঞ্জে ছোট ভাইয়ের রডের আঘাতে মৃত্যুশয্যায় বড় ভাই
মোঃ জসিম উদ্দিন মিজি ॥

মুক্তিযোদ্ধা পিতার ভাতার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ছোট ভাই হুমাউন তালুকদারের রডের আঘাতে তারই আপন বড় ভাই ইদ্রিছ তালুকদার (৬০) মারাত্মক আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে হাসপাতালে পাঞ্জা লড়ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের বালিথুবা গ্রামের তালুকদার বাড়িতে।

সরজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে আহত ইদ্রিছ তালুকদারের ছেলে আল-আমিন জানান, নয় বছর পূর্বে আমার দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ জয়নাল আবেদিন তালুকদার মৃত্যুবরণ করেন। দাদার মৃত্যুর পর আমার চাচা হুমাউন তালুকদার আমার বাবা ও ফুফুদের স্বাক্ষর জাল করে জাল সনদ তৈরি করে আমার দাদার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা উত্তোলন করে একা আত্মসাৎ করে আসছে। অথচ আমার দাদির যাবতীয় দেখভাল করে আসছে আমার বাবা-মা। দু’মাস পূর্বে আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে একখানা দরখাস্ত করেন আমার চাচা যেনো ভাতার টাকা তুলতে না পারে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে সে আমার দাদিকে জোরপূর্বক আমাদের ঘর থেকে বের করে নিয়ে যেতে চায় পুনরায় ভাতার টাকা তার নামে করে দেয়ার জন্যে। এতে আমার বাবা বাধা প্রদান করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে রড দিয়ে আমার বাবাকে আঘাত করতে থাকে। এতে আমার বাবার মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। পরে বাড়ির লোকজন এসে আমার বাবাকে চাঁদপুর হাসপাতালে ভর্তি করায়। বর্তমানে আমার বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। সে আরো জানায়, সে আমার বাবার উপর হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি পরদিন বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে আমাদের বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে আমাদের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছে। বর্তমানে আমারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি নিচ্ছি।

আহত ইদ্রিছ তালুকদারের আরেক ছেলে টিটু জানায়, বিগত কয়েক বছর পূর্বে আমার চাচা হুমাউন তালুকদারের ঘর থেকে আমার বোন সিমা সামান্য হরলিক্স খাওয়ার কারণে সে আমার বোনকে অনেক মারধর করে, আমার বোন যা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। এ বিষয়ে হুমাউন তালুকদারের মুঠফোনে বার বার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়