শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড : গোডাউনসহ  ৪টি  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে  ছাই।
  •   চাঁদপুরে সর্বনিম্ন ৩ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২১, ০০:০০

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও গণতন্ত্র

অধ্যাপক মোঃ হাছান আলী সিকদার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও গণতন্ত্র

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে এ কথাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের সকল নেতা, সংগঠক সবাই বক্তৃতা, বিবৃতিতে বলে থাকেন। সরকারি দলের নেতারা বলেন, গণতন্ত্রকে স্থায়ী ও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর যারাই বিরোধী দলে তথা সংসদে বা সংসদের বাইরে থাকেন তারা বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ দেশের রাজনৈতিক দলের কথা ধরলে দলের অভ্যন্তরে আদৌ গণতন্ত্র আছে কি না বা থাকলে তা কী মাত্রায় আছে সে প্রশ্ন সচেতন মহলে সংশয় সৃষ্টি করে।

পাকিস্তানের অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অন্যতম লক্ষ্যে এক সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতোত্তর বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরোহনের পর আওয়ামী লীগ সংসদীয় মডেলের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে। বঙ্গবন্ধুর সম্মোহনী (charisma) ও অতিজনপ্রিয়তার কারণে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান (দল) হিসেবে সে সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিলো। তাঁর ‘ক্যারিসমেটিক লিডারশীপ’ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সাংগঠনিক বিকাশে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। যার ফলস্বরূপ রাজনৈতিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকাকে গুরুত্বহীন করেছে।

রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কিংবা প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকাকে গুরুত্বহীন করার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের দলের ভূমিকা আরো অমার্জিত। প্রধানত জনসমর্থনের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল গঠিত হয় ক্ষমতায় আরোহণের জন্যে। কিন্তু বাংলাদেশে দুটি দল গঠিত হয়েছে ক্ষমতায় গিয়ে। একটি ‘বিএনপি’ অপরটি হলো ‘জাতীয় পার্টি’। ক্ষমতায় থেকে জেনারেল জিয়াউর রহমান নিজে দল (বিএনপি) গঠন করলেও শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে না তুলে নিজের সমর্থনের উচ্চাভিলাষী একটি গোষ্ঠীর চাপে একে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ‘বিটিম’ হিসেবে করে থাকেন। একই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ। জিয়া-এরশাদ উভয়ে নিজস্ব দল গঠনের উদ্দেশ্যে ক্ষমতায় থেকে সরকারি অর্থ দিয়ে ডান-বাম নির্বিশেষে বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দকে প্রলুব্ধ করে নিজ দলে নিয়ে আসবার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন তার ফলে বিভিন্ন দল ভাঙ্গার এবং নতুন দল গঠনের প্রক্রিয়া সুগম হয়। সর্বোপরি রাজনীতিতে সংগঠন ও নীতির প্রতি একনিষ্ঠ থাকার চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থে দল, গণতন্ত্র ও আদর্শ ত্যাগ করার প্রবণতা সৃষ্টি করেন। জিয়া এরশাদ এরূপভাবে তাঁদের রাজনৈতিক দলকে এমন একটি কাঠামোতে দাঁড় করান, যাতে একান্তই ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রাধান্য নিশ্চিত করা যায়।

অনেক দিনের পুরানো সুসংগঠিত স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামী লীগেও প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিক কার্যক্রমের চেয়ে ব্যক্তির প্রভাবই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। দলীয় অধিকার, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নেত্রীর সিদ্ধান্তেই গৃহীত ও পরিচালিত হয়। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি নয়, এমনকি প্রায় সব বামপন্থী রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেও প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিকতা উপেক্ষিত এবং ব্যক্তির প্রাধান্য অপ্রতিহত। সংগঠনের নিয়ম ও গঠনতন্ত্র না মেনে সংগঠন চলে সাধারণত প্রধান নেতার ইচ্ছায়।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল। সভাপতি, প্রেসিডিয়াম, সম্পাদকম-লীর সদস্যবৃন্দসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামো অর্থাৎ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল, জাতীয় কমিটি ও কার্যনির্বাহী সংসদ গঠনে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গণতান্ত্রিকভাবে নিম্ন পর্যায়ের কর্মীরও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। দলীয় গঠনতন্ত্রের ২১ (চ) ধারায় কাউন্সিলকে তার ক্ষমতা শর্তহীনভাবে কার্যনির্বাহী সংসদের হাতে অর্পণের যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, সে ক্ষমতার সুবাদে ১৯৮১ পরবর্তীতে কাউন্সিল তার প্রায় সব ক্ষমতাই কার্যনির্বাহী সংসদের কাছে অর্পণ করেছে। বলা বাহুল্য যে, এ কার্যনির্বাহী সংসদ বাস্তবে সভাপতির অধীন। আর এ বিষয়টি দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগকে যথেষ্ট সংকুচিত করেছে। এর প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায় কাউন্সিল আহ্বানে দলীয় নেতৃত্বের অনীহায়। দলীয় গঠনতন্ত্রে প্রতি দু বছর অন্তর (পরবর্তী ১৯৯৭ থেকে ত্রি-বার্ষিক) কাউন্সিল অনুষ্ঠানের বিধান থাকলেও ১৯৮১ পরবর্তী থেকে আজ পর্যন্ত (প্রায় ৪০ বছর) কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে মাত্র আটবার এবং বিশেষ কাউন্সিল দুবার। তদ্রুপভাবে জেলা, উপজেলা সাংগঠনিক ইউনিট এ কাউন্সিল বা সম্মেলন আয়োজনে অনেকক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের চেয়েও বেশি কালক্ষেপণ হয়েছে। কোথাও কোথাও এক থেকে দেড় যুগেও সম্মেলন নেই তা সবাই জানে। আর জেলা-উপজেলায় মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি এবং দীর্ঘদিন দল ক্ষমতায় থাকায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করার সুযোগ পাচ্ছেন তৃণমূল নেতারাও। এ কারণে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দল বেড়েই চলছে। অপরদিকে গঠনতন্ত্রে সভাপতির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না রাখা সত্ত্বেও বাস্তব অবস্থা থেকে এ বিষয়টি স্পষ্ট যে, সভাপতিই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৮১ সালে দলীয় বিভক্তি রোধের পদক্ষেপ হিসেবে শেখ হাসিনা দলের সভানেত্রীর পদ গ্রহণের পর তিনিই হয়ে উঠেন দলের সর্বেসর্বা। এও দেখা যায়, কোনো সভায় দলের কোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার সাথে দ্বিমত পোষণকারী কোনো নেতা বক্তব্য প্রদান করা থেকে বিরত থাকেন এ আশঙ্কায় যে, পাছে দলনেত্রীর বিরাগভাজন হয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পড়েন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, দলের গঠনতন্ত্রে গণতান্ত্রিক বিধিবিধান থাকলেও বাস্তবে গণতন্ত্র চর্চার অনুপস্থিতিই লক্ষ্যণীয়।

অপরদিকে আরো জটিল বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন ‘বিএনপি’-এর অভ্যন্তরে। সংগঠনের স্বাভাবিক নীতি-শৃঙ্খলাকে উপেক্ষা করে সকল রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেতৃত্বের একক ইচ্ছার ভিত্তিতেই হয়ে থাকে। দলের গঠনতন্ত্র এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যে, তাতে দলীয় কর্মীদের দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ প্রদান করা হয় না। দলের চেয়ারম্যান দলের প্রধান হিসেবে দলের সকল কার্যাবলি (অর্থাৎ জাতীয় কাউন্সিল, স্থায়ী কমিটি, নির্বাহী কমিটিসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সকল কমিটি গঠন) নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁর হাতে যে কোনো কমিটির যে কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের, যে কোনো কমিটি ভেঙ্গে দেবার এবং গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা ন্যাস্ত করা হয়েছে। মোট কথা বিএনপির চেয়ারম্যান (চেয়ারপারসন) সকল ক্ষমতার উৎস, দলীয় কর্মকা-ে তাঁর ইচ্ছাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। ১৯৮৪ সালের ১০ জানুয়ারি খালেদা জিয়া চেয়ারপারসনের পদে আসীন হবার পর বিভিন্ন সময়ে সকল ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে তাঁর কর্মকা-ে অগণতান্ত্রিক তথা স্বেচ্ছাচারিতার প্রকাশ ঘটে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন তিনি আকস্মিকভাবে স্ট্যান্ডিং কমিটি ভেঙ্গে দেন। একই ঘটনার পুনরারবৃত্তি ঘটে ১৯৮৮ সালের ২২ জুন। চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর তিনি এ পর্যন্ত অনেকজন মহাসচিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন অগণতান্ত্রিকভাবে। অন্যদিকে ১৯৭৮ সালে বিএনপি গঠিত হবার পর থেকে আজ পর্যন্ত দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে মাত্র হাতেগোণা কয়েকবার (আওয়ামী লীগের থেকে অনেক কম)। এর মধ্যে জিয়ার আমলে হয়েছে দুবার।

আমাদের দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল রয়েছে। দেশের বাস্তবতা অনুসারে বর্তমানে দুটো মাত্র প্রভাবশালী দল, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী বিএনপি (নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের ক্ষেত্রে)। সেদিক থেকে এ দুটি দল সরকার বা বিরোধী পক্ষে যেখানেই থাকুক, তারাই মূলত বাংলাদেশের রুলিং ক্লাস বা শাসকশ্রেণির যে প্রধান প্রতিনিধিত্বকারী শক্তি সেটি স্বীকার করতে হবে। এ দুটো দলের গঠন, নেতৃত্বের গুণগত ও শ্রেণীগত বৈশিষ্ট্য, আর্থ-সামাজিক অঙ্গীকার প্রায় একই রকম বললে অত্যুক্তি হবে না। আর এই নেতৃত্বদানকারী দুটো দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ হয় নেই অথবা কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। আর গণতন্ত্রের সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী অপরাপর বাম-প্রগতিশীল কিংবা মৌলবাদী রাজনৈতিক সংগঠন সম্পর্কেও একই অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের রুলিং ক্লাস বা শাসকশ্রেণি গণতন্ত্রের ধারণাকে নির্বাচনী আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমিত রাখতে যত্নবান। একটি কার্যকর জীবনব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্র গড়ে উঠুক, জনগণের সার্বক্ষণিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার বিষয়বস্তুতে পরিণত হোক, সমগ্র সমাজদেহে এর গতি সঞ্চারিত হোক এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করুক এরা কিছুতেই তা চায় না। কেননা, তা হলে সমাজ-শক্তিসমূহ জেগে উঠবে, তারা স্বাধীনতা, অধিকার-ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের জন্যে দাবি তুলবে। সেক্ষেত্রে গণতন্ত্রের নামে গোষ্ঠী বা শ্রেণী শাসন শোষণ অব্যাহত রাখা যে কিছুতেই সম্ভব হয়ে উঠবে না, এটাই তাদের ভীতির কারণ।

বস্তুত দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি একদিকে নেতৃত্ব বিকাশের পথকে করে রুদ্ধ, অপরদিকে নেতাদের নেতৃত্বের প্রতি জনগণের সংশয় সৃষ্টি করে। ফলে জনগণ রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে ও পড়বে এবং রাজনীতিতে স্বৈরপ্রবণতার বিকাশ ঘটছে ও ঘটবে। কাজেই গণতন্ত্রকে যদি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হয় এবং রাষ্ট্রব্যবস্থায় প্রকৃতপক্ষে গণপ্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিফলিত করতে হয়, তবে শ্লোগান, বক্তৃতা বা বিবৃতিতে নয় বাস্তবে প্রতিটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সমাজের প্রতিটি স্তরে এর প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

তথ্য-উৎস :

১. মূলধারার রাজনীতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কাউন্সিল, ১৯৪৯-২০১৬হারুন-অর-রশিদ,

বাংলা একাডেমী, ২০১৯

২. বাংলাদেশের রাজনীতি ও আওয়ামী লীগের ভূমিকাগোলাম আকবর চৌধুরী, ঢাকা-১৯৭৭

৩. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ হতে বর্তমান পর্যন্ত)সৈয়দ নূরুল হক-২০১৭

৪. সাপ্তাহিক বঙ্গ বিচিত্রা-বর্ষ ২ সংখ্যা ৫, ১ আগস্ট, ১৯৯৩

৫. সাপ্তাহিক বঙ্গ বিচিত্রা বর্ষ ২ সংখ্যা ৬, ৮ আগস্ট, ১৯৯৩

৬. বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন ড. মোঃ আবদুল ওদুদ ভূঁইয়া-২০১৩

৭. বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৯ জুলাই, ২০২১

লেখক : অধ্যাপক মোঃ হাছান আলী সিকদার, সভাপতি, চাঁদপুর জেলা জাসদ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা, বাকশিস নেতা, চাঁদপুর জেলা।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়